ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

ফুলবাড়ীতে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত আটক।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবার দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চরগোরকমন্ডল এলাকায় ঘটেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম ফুলমতি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী বৃহস্পতিবার সকালে বাইসাইকেলে করে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে চর গোরকমন্ডল সেতুর ওপর পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জেলানী মিয়া (২৫) নামের এক যুবক তার পথরোধ করে। পরে সে স্কুলছাত্রীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিয়ে শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় অভিযুক্ত। এ সময় স্কুলছাত্রী কৌশলে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে আসে। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করলে জনতা তাকে আটক করে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা ও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে তা ব্যর্থ হলে বিকেলের দিকে ফুলবাড়ী থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে আটক যুবককে হেফাজতে নেয়।

আটক জেলানী মিয়া চরগোরকমন্ডল গ্রামের গাজিবর রহমানের ছেলে বলে জানা গেছে।

চরগোরকমন্ডল ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আয়াজ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়রা অভিযুক্ত যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ হাসান নাঈম বলেন, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

ফুলবাড়ীতে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত আটক।

আপডেট সময় ০১:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবার দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চরগোরকমন্ডল এলাকায় ঘটেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম ফুলমতি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী বৃহস্পতিবার সকালে বাইসাইকেলে করে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে চর গোরকমন্ডল সেতুর ওপর পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জেলানী মিয়া (২৫) নামের এক যুবক তার পথরোধ করে। পরে সে স্কুলছাত্রীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিয়ে শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় অভিযুক্ত। এ সময় স্কুলছাত্রী কৌশলে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে আসে। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করলে জনতা তাকে আটক করে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা ও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে তা ব্যর্থ হলে বিকেলের দিকে ফুলবাড়ী থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে আটক যুবককে হেফাজতে নেয়।

আটক জেলানী মিয়া চরগোরকমন্ডল গ্রামের গাজিবর রহমানের ছেলে বলে জানা গেছে।

চরগোরকমন্ডল ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আয়াজ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়রা অভিযুক্ত যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ হাসান নাঈম বলেন, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।