ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

যুবদল নেতা মুকুলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ।

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা বজরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মুকুল এর বিরুদ্ধে সম্প্রতি একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী এবং দলীয় কর্মীদের একাংশের দাবি, তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েমসহ সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত সম্পদে রূপান্তর করছেন।

​হাট-শেড নিলাম ও সরকারি মাটি বিক্রয়: অভিযোগ উঠেছে যে, মুকুল বজরা ইউনিয়নের একটি পুরাতন বাজার বা হাট-শেড নিলামে নেওয়ার পর বিধি বহির্ভূতভাবে সেখানকার স্থাপনা ভেঙে ফেলেছেন। শুধু তাই নয়, শেড সংলগ্ন সরকারি খাস জমির মাটি ভরাট বা সংস্কারের পরিবর্তে তিনি ট্রাক্টর দিয়ে সেই মাটি কেটে ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নারী কেলেঙ্কারী: মুকুল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী সংক্রান্ত একাধিক অনৈতিক ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার চারিত্রিক স্খলনের বিষয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। একাধিক ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠক হলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি বারবার পার পেয়ে গেছেন বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও চাঁদাবাজি: নিজ ইউনিয়নে প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে তিনি সাধারণ ব্যবসায়ী ও নিরীহ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। হাট-বাজারের ইজারা সংক্রান্ত বিষয়ে তার একক আধিপত্য সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “নিলামের নামে সরকারি স্থাপনা নষ্ট করা এবং মাটি বিক্রি করে দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। আমরা এর বিচার চাই।”

এদিকে, জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ব্যক্তির দায় দল নেবে না। যদি তদন্তে মুকুল বিরুদ্ধে আনা অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মুকুল বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। সরকারি সম্পদ রক্ষা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। একই সাথে, রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ যেন পার না পায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

যুবদল নেতা মুকুলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ।

আপডেট সময় ০৪:১৩:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা বজরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মুকুল এর বিরুদ্ধে সম্প্রতি একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী এবং দলীয় কর্মীদের একাংশের দাবি, তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েমসহ সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত সম্পদে রূপান্তর করছেন।

​হাট-শেড নিলাম ও সরকারি মাটি বিক্রয়: অভিযোগ উঠেছে যে, মুকুল বজরা ইউনিয়নের একটি পুরাতন বাজার বা হাট-শেড নিলামে নেওয়ার পর বিধি বহির্ভূতভাবে সেখানকার স্থাপনা ভেঙে ফেলেছেন। শুধু তাই নয়, শেড সংলগ্ন সরকারি খাস জমির মাটি ভরাট বা সংস্কারের পরিবর্তে তিনি ট্রাক্টর দিয়ে সেই মাটি কেটে ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নারী কেলেঙ্কারী: মুকুল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী সংক্রান্ত একাধিক অনৈতিক ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার চারিত্রিক স্খলনের বিষয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। একাধিক ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠক হলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি বারবার পার পেয়ে গেছেন বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও চাঁদাবাজি: নিজ ইউনিয়নে প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে তিনি সাধারণ ব্যবসায়ী ও নিরীহ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। হাট-বাজারের ইজারা সংক্রান্ত বিষয়ে তার একক আধিপত্য সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “নিলামের নামে সরকারি স্থাপনা নষ্ট করা এবং মাটি বিক্রি করে দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। আমরা এর বিচার চাই।”

এদিকে, জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ব্যক্তির দায় দল নেবে না। যদি তদন্তে মুকুল বিরুদ্ধে আনা অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মুকুল বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। সরকারি সম্পদ রক্ষা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। একই সাথে, রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ যেন পার না পায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।