কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মুকুল-এর বিরুদ্ধে সরকারি সম্পদ দখল, নারী কেলেঙ্কারীসহ নানা অসামাজিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনগণের দাবি, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছেন, যার ফলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানাগেছেসরকারি সম্পদ জবর দখল: স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, মুকুল তার পদ ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি জমি, খাল বা জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গা অবৈধভাবে দখল করেছেন। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে যেমন বিঘ্ন ঘটছে, তেমনি সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।নারী কেলেঙ্কারী: তার বিরুদ্ধে একাধিক নারী সংক্রান্ত নৈতিক স্খলন ও কেলেঙ্কারীর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, সামাজিক মর্যাদার ভয়ে অনেকে মুখ না খুললেও তার কর্মকাণ্ড এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার: ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের ওপর ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অর্থ আদায় এবং এলাকায় একক আধিপত্য বজায় রাখতে ক্যাডার বাহিনী ব্যবহারের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের।
জনসাধারণের বক্তব্য:
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “তার ভয়ে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। সরকারি সম্পদ দখল করে তিনি নিজের ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত করছেন, অথচ প্রশাসন দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া:
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই ধরণের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের কর্মীরা। তাদের মতে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অপরাধের দায়ভার দল বহন করবে না।
একজন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ওঠা এই ধরণের অভিযোগ শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যই উদ্বেগের নয়, বরং সামাজিক কাঠামোর জন্যও হুমকিস্বরূপ। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

স্টাফ রিপোর্টার 

























