ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

উলিপুরে বজরা হাট-বাজারের সরকারি সম্পদ সংস্কারের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদলের সভাপতি মুকুলের বিরুদ্ধে।

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৯:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের  উলিপুর উপজেলার বজরা হাটের পুরোনো সেট নিলামকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদলের সভাপতি মুকুলের বিরুদ্ধে। নিলামকৃত মালামাল সরালেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরকারি জায়গার মাটি পর্যন্ত তুলে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই সাথে হাটের ঘর সংস্কারের নামে প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে মুকুলের নেতৃত্বে একটি  চাঁদাবাজি ও সরকারী সম্পদ আত্মসাধের অভিযোগ তুলছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

​০৭মে ২০২৬ ইং বৃহঃপতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে,  ​রাতের আধারে সরকারী ১০৯ শতাংশ  যাহার দাগ নং ১৪৫১ জমির পরিমাণ ৭০ শতাংশ মৌজাঃ কালপানি , দাগ নং ৩০০১ জমির পরিমাণ ৮ শতাংশ ,৩০০২ জমির পরিমাণ ১১ শতাংশ , ৩০৪৫ জমির পরিমাণ ২০ শতাংশ মৌজাঃ বজরা মোট জমির পরিমাণ ১০৯ শতাংশ এর যাহার মালিক বাংলাদেশ সরকার । জমির মাটি বিক্রয় করেছে  সম্প্রতি উলিপুর উপজেলার বজরা হাটের পুরোনো সেডগুলো নিলামে বিক্রি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, নিলামের শর্ত ভঙ্গ করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সেডের মালামালের পাশাপাশি ওই স্থানের বিপুল পরিমাণ মাটিও খনন করে নিয়ে গেছেন। এতে সরকারি সম্পদের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি বর্ষা মৌসুমে জায়গাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
​প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় জনগন
​এদিকে হাটের ঘর সংস্কারের অজুহাতে  স্থানীয় যুবদলের সভাপতি মুকুল, বাবলা, এবং রুহুল আমিন সহকারী তহসিলদার বজরা। এদের বিরুদ্ধে  চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ওই যুবক স্থানীয় যুবদলের সভাপতি, সহকারী তহসিলদার রুহুল আমিন এবং খোদ এসি ল্যান্ডের (সহকারী কমিশনার-ভূমি) নাম ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানান।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, “ঘর সংস্কার করা হবে—এই কথা বলে আমাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নাম বলায় আমরা ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না।”
​কর্মকর্তাদের বক্তব্য
​এ বিষয়ে সহকারী তহসিলদার রুহুল আমিন জানান আমি শুনেছি মুকুল, বাবলা এসিল্যান্ড ভাঙ্গিয়ে টাকা উত্তল এর কথা অনেকের মুখে শুনেছি তবে আমি দেখেনি । আমার  বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তা  অস্বীকার করে তিনি জানান, কারো নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি অনৈতিক সুবিধা নেয়, তবে তার দায়ভার প্রশাসনের কিংবা আমার  নয়।
​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি হাটের কোনো সংস্কার কাজ হলে তা নিয়মতান্ত্রিকভাবেই হবে। কেউ যদি এসি ল্যান্ড বা প্রশাসনের অন্য কোনো কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করে, তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
​বজরা হাটের সাধারণ ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে এই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ এবং চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমি  কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসান এর কথা হলে তিনি জানান বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক আমার নাম ভাঙিয়ে যদি কেউ টাকা উত্তোলন করে থাকে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো তবে আমি শুনেছি যে, মাটি উত্তলনের বিষয়টি সঠিক। তা তদন্ত করে দেখবো এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো ।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

উলিপুরে বজরা হাট-বাজারের সরকারি সম্পদ সংস্কারের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদলের সভাপতি মুকুলের বিরুদ্ধে।

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের  উলিপুর উপজেলার বজরা হাটের পুরোনো সেট নিলামকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদলের সভাপতি মুকুলের বিরুদ্ধে। নিলামকৃত মালামাল সরালেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরকারি জায়গার মাটি পর্যন্ত তুলে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই সাথে হাটের ঘর সংস্কারের নামে প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে মুকুলের নেতৃত্বে একটি  চাঁদাবাজি ও সরকারী সম্পদ আত্মসাধের অভিযোগ তুলছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

​০৭মে ২০২৬ ইং বৃহঃপতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে,  ​রাতের আধারে সরকারী ১০৯ শতাংশ  যাহার দাগ নং ১৪৫১ জমির পরিমাণ ৭০ শতাংশ মৌজাঃ কালপানি , দাগ নং ৩০০১ জমির পরিমাণ ৮ শতাংশ ,৩০০২ জমির পরিমাণ ১১ শতাংশ , ৩০৪৫ জমির পরিমাণ ২০ শতাংশ মৌজাঃ বজরা মোট জমির পরিমাণ ১০৯ শতাংশ এর যাহার মালিক বাংলাদেশ সরকার । জমির মাটি বিক্রয় করেছে  সম্প্রতি উলিপুর উপজেলার বজরা হাটের পুরোনো সেডগুলো নিলামে বিক্রি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, নিলামের শর্ত ভঙ্গ করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সেডের মালামালের পাশাপাশি ওই স্থানের বিপুল পরিমাণ মাটিও খনন করে নিয়ে গেছেন। এতে সরকারি সম্পদের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি বর্ষা মৌসুমে জায়গাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
​প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় জনগন
​এদিকে হাটের ঘর সংস্কারের অজুহাতে  স্থানীয় যুবদলের সভাপতি মুকুল, বাবলা, এবং রুহুল আমিন সহকারী তহসিলদার বজরা। এদের বিরুদ্ধে  চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ওই যুবক স্থানীয় যুবদলের সভাপতি, সহকারী তহসিলদার রুহুল আমিন এবং খোদ এসি ল্যান্ডের (সহকারী কমিশনার-ভূমি) নাম ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানান।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, “ঘর সংস্কার করা হবে—এই কথা বলে আমাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নাম বলায় আমরা ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না।”
​কর্মকর্তাদের বক্তব্য
​এ বিষয়ে সহকারী তহসিলদার রুহুল আমিন জানান আমি শুনেছি মুকুল, বাবলা এসিল্যান্ড ভাঙ্গিয়ে টাকা উত্তল এর কথা অনেকের মুখে শুনেছি তবে আমি দেখেনি । আমার  বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তা  অস্বীকার করে তিনি জানান, কারো নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি অনৈতিক সুবিধা নেয়, তবে তার দায়ভার প্রশাসনের কিংবা আমার  নয়।
​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি হাটের কোনো সংস্কার কাজ হলে তা নিয়মতান্ত্রিকভাবেই হবে। কেউ যদি এসি ল্যান্ড বা প্রশাসনের অন্য কোনো কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করে, তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
​বজরা হাটের সাধারণ ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে এই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ এবং চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমি  কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসান এর কথা হলে তিনি জানান বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক আমার নাম ভাঙিয়ে যদি কেউ টাকা উত্তোলন করে থাকে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো তবে আমি শুনেছি যে, মাটি উত্তলনের বিষয়টি সঠিক। তা তদন্ত করে দেখবো এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো ।