কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ দোকান মোড়ে সরকারি ভিজিএফের (Vulnerable Group Feeding) ৩৯ বস্তা চাল জব্দের ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। চাল উদ্ধারের পর স্থানীয় এল এস ডি গডাউনে জব্দ রাখা হলেও, অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুলের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে যেকোনো মুহূর্তে গণঅসন্তোষের বড় ধরনের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঘটনার বিবরণ ও চাল উদ্ধার
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তবকপুর ‘মোহাম্মদের দোকানের মোড়ে’ ভিজিএফের সরকারি চাল পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হচ্ছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় জনতা সেখানে জড়ো হয়। এরপর তারা পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩৯ বস্তা চাল হাতেনাতে আটক করে।
খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জনগণের নিয়ন্ত্রণে থাকা চালগুলো উদ্ধার করে। পরবর্তীতে চালের বস্তাগুলো সুরক্ষায় রাখার জন্য স্থানীয় এল এস ডি গডাউনে নিয়ে সিলগালা ও জব্দ করা হয়।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপহীনতা
সরকারি ত্রাণ বা সহায়তার চাল এভাবে খোলা বাজারে বা দোকানে পাওয়ার ঘটনায় সরাসরি আঙুল উঠেছে তবকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুলের দিকে। স্থানীয়দের অভিযোগ:প্রধান অভিযুক্তের ছাড়: চালের বস্তাগুলো জব্দ করা হলেও ঘটনার মূলহোতা চেয়ারম্যান রফিকুলের বিরুদ্ধে প্রশাসন এখনো দৃশ্যমান কোনো আইনি পদক্ষেপ বা মামলা দায়ের করেনি।প্রশাসনের ধীরগতি: চাল জব্দের মতো গুরুতর অপরাধের পরও চেয়ারম্যান বহাল তবিয়তে থাকায় সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের দানা বাঁধছে।ন্যায়বিচারের দাবি: দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের হক এভাবে আত্মসাৎ করার চেষ্টার পরও কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকাবাসী।
জনমনে অসন্তোষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ঝুঁকি
”গরিবের চাল চুরি করে যারা পার পেয়ে যায়, তাদের বিরুদ্ধে আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হব। প্রশাসন কেন এখনো চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না?”
মো বাবলু মিয়া যানান আমার জানা মতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ১৫ শো ভিজিএফ সিলিম গোপনে স্থানীয় ব্যবহারিকদের কাছে বিক্রয় করে দিয়েছে।
বর্তমানে তবকপুর ইউনিয়ন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এখন চরম সীমায় পৌঁছেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অতি দ্রুত যদি অভিযুক্ত চেয়ারম্যান রফিকুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের গণবিক্ষোভ বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এ বিষয়ে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সরকারি ত্রাণের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও নিরপেক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ।
উপজেলা প্রকল্প রেস্টুরেন্ট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান আটকৃত মাল জব্দ করা হয়েছে এখনো কাউরে বিরুদ্ধে মামলা হয়নি অভিযোগ পেলে আমরা মামলার করা হবে এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান ঘটনার সততা পেয়েছি স্থানীয় পিআইওকে বিষয়টি খতির দেখার জন্য দায়িত্ব দিয়েছি।

বিশেষ প্রতিনিধি: 


























