ঈদের ছুটিতে নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলার উচিতপুর এলাকায় বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। নেত্রকোণা জেলায় “মিনি কক্সবাজার” নামে পরিচিত এ স্থানটিতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন ভ্রমণপিপাসুরা। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে জেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ছুটে আসছেন এখানে। বালুকাময় পরিবেশ, নদীর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ও খোলামেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে জায়গাটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। ঈদের ছুটিকে ঘিরে উচিতপুর এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করতে এমন মনোরম পরিবেশে সময় কাটানো সত্যিই আনন্দের। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও পর্যটকদের উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, পর্যটক বাড়ায় এলাকার ছোট ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও পর্যটন সুবিধা বাড়ানো হলে নেত্রকোণার “মিনি কক্সবাজার” খ্যাত উচিতপুর ভবিষ্যতে আরও বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
ঈদের ছুটিতে নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলার উচিতপুর এলাকায় বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। নেত্রকোণা জেলায় “মিনি কক্সবাজার” নামে পরিচিত এ স্থানটিতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন ভ্রমণপিপাসুরা।
পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে জেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ছুটে আসছেন এখানে। বালুকাময় পরিবেশ, নদীর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ও খোলামেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে জায়গাটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
ঈদের ছুটিকে ঘিরে উচিতপুর এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করতে এমন মনোরম পরিবেশে সময় কাটানো সত্যিই আনন্দের।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও পর্যটকদের উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, পর্যটক বাড়ায় এলাকার ছোট ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও পর্যটন সুবিধা বাড়ানো হলে নেত্রকোণার “মিনি কক্সবাজার” খ্যাত উচিতপুর ভবিষ্যতে আরও বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।