কাঠালবাড়ি ডিগ্রি কলেজে ২৩ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ: “মিথ্যা গুজব ছড়ানো হচ্ছে” — অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ ।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের কাঠালবাড়ি ডিগ্রি কলেজকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ২৩ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ। অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ বলেন, “আমি কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত নই। একটি মহল ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, কলেজের সকল আর্থিক কার্যক্রম নিয়মনীতি অনুসরণ করেই পরিচালিত হয় এবং যেকোনো তদন্তে সত্য বেরিয়ে আসবে। তিনি প্রশাসনের কাছে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কলেজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ও আর্থিক ব্যয় নিয়ে কিছু অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ২৩ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগও উঠে আসে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযোগগুলোর পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। একটি স্বার্থান্বেষী মহল কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য...
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের কাঠালবাড়ি ডিগ্রি কলেজকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ২৩ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ।
অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ বলেন, “আমি কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত নই। একটি মহল ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, কলেজের সকল আর্থিক কার্যক্রম নিয়মনীতি অনুসরণ করেই পরিচালিত হয় এবং যেকোনো তদন্তে সত্য বেরিয়ে আসবে। তিনি প্রশাসনের কাছে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কলেজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ও আর্থিক ব্যয় নিয়ে কিছু অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ২৩ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগও উঠে আসে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়।
তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযোগগুলোর পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। একটি স্বার্থান্বেষী মহল কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।