ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

উলিপুরে নদীভাঙনের তাণ্ডব ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অসহায় পরিবার।

কুড়িগ্রাম  জেলার উলিপুর উপজেলায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙনে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ। ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় একের পর এক বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন নদীসংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ করে শুরু হওয়া ভাঙনে অনেক পরিবার রাতারাতি ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ বাঁধের ওপর, খোলা মাঠে কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আব্দুল হালিম (৪০) বলেন,

“এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি, জমি—কিছুই আর নেই। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাবো বুঝতে পারছি না।”

একই এলাকার আরেক বাসিন্দা জানান, নদীভাঙনের কারণে শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমিও হারিয়ে জীবিকা সংকটে পড়েছেন তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একইভাবে নদীভাঙন দেখা দিলেও এখনো স্থায়ী কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অস্থায়ীভাবে বালুর বস্তা ফেলা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হচ্ছে না।

এদিকে নদীভাঙনকবলিত পরিবারগুলো দ্রুত পুনর্বাসন, ত্রাণ সহায়তা এবং স্থায়ী নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক পরিবার একই পরিস্থিতির শিকার হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এখনই কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ না নিলে উলিপুরের নদীভাঙন পরিস্থিতি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

উলিপুরে নদীভাঙনের তাণ্ডব ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অসহায় পরিবার।

আপডেট সময় ০২:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

কুড়িগ্রাম  জেলার উলিপুর উপজেলায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙনে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ। ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় একের পর এক বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন নদীসংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ করে শুরু হওয়া ভাঙনে অনেক পরিবার রাতারাতি ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ বাঁধের ওপর, খোলা মাঠে কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আব্দুল হালিম (৪০) বলেন,

“এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি, জমি—কিছুই আর নেই। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাবো বুঝতে পারছি না।”

একই এলাকার আরেক বাসিন্দা জানান, নদীভাঙনের কারণে শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমিও হারিয়ে জীবিকা সংকটে পড়েছেন তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একইভাবে নদীভাঙন দেখা দিলেও এখনো স্থায়ী কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অস্থায়ীভাবে বালুর বস্তা ফেলা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হচ্ছে না।

এদিকে নদীভাঙনকবলিত পরিবারগুলো দ্রুত পুনর্বাসন, ত্রাণ সহায়তা এবং স্থায়ী নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক পরিবার একই পরিস্থিতির শিকার হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এখনই কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ না নিলে উলিপুরের নদীভাঙন পরিস্থিতি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।