ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

উলিপুরের বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর মধ্যপাড়া জামে মসজিদের সরে জমিন পরিদর্শন শতভাগ কাজ হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

​কুড়িগ্রামের উলিপুরে ইসলাম পুর মধ্যপাড়া মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন: সরেজমিন তদন্তে সত্যতা প্রকাশ।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর মধ্যম মধ্যপাড়া গ্রামের একটি মসজিদের সংস্কার কাজের বরাদ্দ নিয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরেজমিনে তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে টিআর প্রকল্পের আওতায় মসজিদটির জন্য বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে মর্মে স্থানীয় কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সরেজমিন চিত্র

​গতকাল সংশ্লিষ্ট এলাকায় সরেজমিন তদন্তকালে দেখা যায়, মসজিদের সংস্কার ও নির্মাণ কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এবং মসজিদ কমিটিকে বিতর্কিত করতে গণমাধ্যমে ভুল তথ্য সরবরাহ করেছে।

মসজিদ কমিটির বক্তব্য

​মসজিদ কমিটির সভাপতি আহাদ আলী জানান:

​”আমরা বরাদ্দের পুরো টাকা দিয়েই মসজিদের কাজ সম্পন্ন করেছি। আমাদের কাজে কোনো অনিয়ম নেই। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, কিছু মানুষ নিজেদের স্বার্থে হাসিলের জন্য কেরামত আলী জরীয়ে সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন। না দেখে বা সত্যতা যাচাই না করে একজনের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমি গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ জানাই।”

স্থানীয় বাসিন্দাদের মন্তব্য

​এলাকার সাধারণ মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা নিশ্চিত করেছেন যে, মসজিদ কমিটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে কাজ করেছে। তারা জানান, টাকা উত্তোলন করে যথাযথভাবে মসজিদের উন্নয়নের কাজে লাগানো হয়েছে এবং এতে গ্রামবাসীর কোনো আপত্তি নেই।

কর্মকর্তার বক্তব্য

​এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান:

“তদন্ত সাপেক্ষে আমরা জানতে পেরেছি মসজিদের কাজ শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন না করে টাকা উত্তোলনের সুযোগ নেই। এখানে টাকা আত্মসাতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।”

​সারসংক্ষেপ: প্রকাশিত সংবাদের বিপরীতে স্থানীয় জনগণ, মসজিদ কমিটি এবং প্রশাসনের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, ইসলামপুর মধ্যপাড়া মসজিদের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আত্মসাতের অভিযোগটি ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

উলিপুরের বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর মধ্যপাড়া জামে মসজিদের সরে জমিন পরিদর্শন শতভাগ কাজ হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

আপডেট সময় ০৪:২৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

​কুড়িগ্রামের উলিপুরে ইসলাম পুর মধ্যপাড়া মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন: সরেজমিন তদন্তে সত্যতা প্রকাশ।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর মধ্যম মধ্যপাড়া গ্রামের একটি মসজিদের সংস্কার কাজের বরাদ্দ নিয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরেজমিনে তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে টিআর প্রকল্পের আওতায় মসজিদটির জন্য বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে মর্মে স্থানীয় কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সরেজমিন চিত্র

​গতকাল সংশ্লিষ্ট এলাকায় সরেজমিন তদন্তকালে দেখা যায়, মসজিদের সংস্কার ও নির্মাণ কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এবং মসজিদ কমিটিকে বিতর্কিত করতে গণমাধ্যমে ভুল তথ্য সরবরাহ করেছে।

মসজিদ কমিটির বক্তব্য

​মসজিদ কমিটির সভাপতি আহাদ আলী জানান:

​”আমরা বরাদ্দের পুরো টাকা দিয়েই মসজিদের কাজ সম্পন্ন করেছি। আমাদের কাজে কোনো অনিয়ম নেই। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, কিছু মানুষ নিজেদের স্বার্থে হাসিলের জন্য কেরামত আলী জরীয়ে সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন। না দেখে বা সত্যতা যাচাই না করে একজনের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমি গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ জানাই।”

স্থানীয় বাসিন্দাদের মন্তব্য

​এলাকার সাধারণ মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা নিশ্চিত করেছেন যে, মসজিদ কমিটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে কাজ করেছে। তারা জানান, টাকা উত্তোলন করে যথাযথভাবে মসজিদের উন্নয়নের কাজে লাগানো হয়েছে এবং এতে গ্রামবাসীর কোনো আপত্তি নেই।

কর্মকর্তার বক্তব্য

​এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান:

“তদন্ত সাপেক্ষে আমরা জানতে পেরেছি মসজিদের কাজ শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন না করে টাকা উত্তোলনের সুযোগ নেই। এখানে টাকা আত্মসাতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।”

​সারসংক্ষেপ: প্রকাশিত সংবাদের বিপরীতে স্থানীয় জনগণ, মসজিদ কমিটি এবং প্রশাসনের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, ইসলামপুর মধ্যপাড়া মসজিদের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আত্মসাতের অভিযোগটি ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত