ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

তিস্তা সেতুতে হামলার শিকার, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ আহত-৯।

দিনাজপুরে ফিল্ড ট্রিপ শেষে কুড়িগ্রামে ফেরার পথে তিস্তা ব্রিজের টোল প্লাজায় হামলার শিকার হয়েছেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। অতিরিক্ত টোল আদায়কে কেন্দ্র করে টোল প্লাজার কর্মীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষকসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৫ জনকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রংপুর-লালমনিরহাট মহাসড়কের তিস্তা ব্রিজ টোল প্লাজা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, টোল আদায় নিয়ে বাসের চালকের সঙ্গে টোল প্লাজার কর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি সমাধান করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এগিয়ে গেলে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও টোল প্লাজার কয়েকজন কর্মী তার গায়ে হাত তোলেন। শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, এরপর বেশ কিছু ব্যক্তি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার সাদেকুজ্জামান লিমন বলেন, “আমাদের আহত শিক্ষার্থীরা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার (২০ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে একটি প্রতিনিধিদল লালমনিরহাট থানায় গেছে।”

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার পরপরই আমি লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি জানাই। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আমাদের প্রক্টোরিয়াল টিম ও শিক্ষকরা আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছেন।”

লালমনিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহম্মেদ জানান, বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে শিক্ষক ও সহপাঠীদের ওপর হামলার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

তিস্তা সেতুতে হামলার শিকার, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ আহত-৯।

আপডেট সময় ০১:৫০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

দিনাজপুরে ফিল্ড ট্রিপ শেষে কুড়িগ্রামে ফেরার পথে তিস্তা ব্রিজের টোল প্লাজায় হামলার শিকার হয়েছেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। অতিরিক্ত টোল আদায়কে কেন্দ্র করে টোল প্লাজার কর্মীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষকসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৫ জনকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রংপুর-লালমনিরহাট মহাসড়কের তিস্তা ব্রিজ টোল প্লাজা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, টোল আদায় নিয়ে বাসের চালকের সঙ্গে টোল প্লাজার কর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি সমাধান করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এগিয়ে গেলে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও টোল প্লাজার কয়েকজন কর্মী তার গায়ে হাত তোলেন। শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, এরপর বেশ কিছু ব্যক্তি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার সাদেকুজ্জামান লিমন বলেন, “আমাদের আহত শিক্ষার্থীরা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার (২০ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে একটি প্রতিনিধিদল লালমনিরহাট থানায় গেছে।”

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার পরপরই আমি লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি জানাই। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আমাদের প্রক্টোরিয়াল টিম ও শিক্ষকরা আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছেন।”

লালমনিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহম্মেদ জানান, বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে শিক্ষক ও সহপাঠীদের ওপর হামলার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।