কুড়িগ্রামের উলিপুর রেলওয়ে স্টেশনে রেললাইন ও স্টেশন অফিসের আশপাশে ধান ও খড় শুকানোর কারণে চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর লালমনিরহাট রেলওয়ে টহল পুলিশ টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে টহল চলাকালে পুলিশ সদস্যরা দেখতে পান, স্টেশনের বিভিন্ন স্থানে রেললাইনের উপর এবং অফিসের সামনের অংশজুড়ে স্থানীয় কিছু মানুষ ধান ও খড় ছড়িয়ে রেখেছেন। এতে স্টেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। রেলওয়ে টহল পুলিশের এস আই দিলিব খন্দকার জানায়, রেললাইন ও স্টেশন এলাকা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নয়। সেখানে ধান বা খড় শুকানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে ট্রেন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয়। এ সময় পুলিশ স্থানীয়দের সতর্ক করে রেললাইন ও স্টেশন এলাকা দ্রুত খালি করার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। সচেতন মহল বলছে, স্টেশন এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হলে এমন অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে। স্থানীয়রা জানান, জমিতে পানি থাকায়...
কুড়িগ্রামের উলিপুর রেলওয়ে স্টেশনে রেললাইন ও স্টেশন অফিসের আশপাশে ধান ও খড় শুকানোর কারণে চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর লালমনিরহাট রেলওয়ে টহল পুলিশ টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে টহল চলাকালে পুলিশ সদস্যরা দেখতে পান, স্টেশনের বিভিন্ন স্থানে রেললাইনের উপর এবং অফিসের সামনের অংশজুড়ে স্থানীয় কিছু মানুষ ধান ও খড় ছড়িয়ে রেখেছেন। এতে স্টেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
রেলওয়ে টহল পুলিশের এস আই দিলিব খন্দকার জানায়, রেললাইন ও স্টেশন এলাকা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নয়। সেখানে ধান বা খড় শুকানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে ট্রেন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয়।
এ সময় পুলিশ স্থানীয়দের সতর্ক করে রেললাইন ও স্টেশন এলাকা দ্রুত খালি করার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সচেতন মহল বলছে, স্টেশন এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হলে এমন অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে।
স্থানীয়রা জানান, জমিতে পানি থাকায় এবং ট্রেন চলে যাওয়ায় আমরা ধান এখানে শুকাচ্ছি।