ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

উলিপুরে মুঠোফোনে পাওয়া যায় না ইউএনওকে: তথ্যবঞ্চিত গণমাধ্যমকর্মীরা।

 

​ কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-র বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে উদাসীনতা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে চলার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সরকারি কাজে তথ্য সংগ্রহ বা কোনো বিষয়ে বক্তব্য নিতে সাংবাদিকরা বারবার ফোন করলেও তিনি কল রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম সম্পর্কে সঠিক তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বিঘ্ন ঘটছে।

​অভিযোগের প্রেক্ষাপট

​স্থানীয় সাংবাদিকদের দাবি, জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানতে বা সরকারি প্রকল্পের অনিয়ম-অসংগতি নিয়ে কথা বলতে ইউএনও’র সরকারি মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেন না। অনেক সময় কল ব্যাকও করেন না। ফলে সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন সংবাদকর্মীরা।

তথ্য প্রাপ্তিতে বাধা: সরকারি সেবা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সেতুবন্ধন জরুরি। কিন্তু উলিপুরে সেই চিত্র উল্টো।

​জরুরি প্রয়োজনে অনুপস্থিতি: কোনো দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে দ্রুততম সময়ে প্রশাসনের বক্তব্য প্রয়োজন হয়। কিন্তু এমন মুহূর্তেও ইউএনও-কে ফোনে না পাওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।

​সাংবাদিকদের ক্ষোভ

​উলিপুরে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা জানান, তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক। কিন্তু উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেকে এক প্রকার ‘আড়ালে’ রাখছেন।

“আমরা সংবাদের প্রয়োজনে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেন না। ব্যক্তিগতভাবে দেখা করতে গেলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে পেশাগত দায়িত্ব পালন আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।” — স্থানীয় এক সংবাদকর্মী।

প্রশাসনের নীরবতা

​এ বিষয়ে ইউএনও’র বক্তব্য নিতে পুনরায় মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণত দাপ্তরিক ব্যস্ততার অজুহাত দেওয়া হলেও দিনের পর দিন এমন আচরণকে ‘অসহযোগিতা’ হিসেবেই দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

প্রতিকার ও প্রত্যাশা

​গণমাধ্যমকর্মীরা মনে করেন, তথ্য আদান-প্রদান বাধাগ্রস্ত হলে এলাকায় গুজব ছড়ানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ইতিবাচক সহযোগিতা এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

উলিপুরে মুঠোফোনে পাওয়া যায় না ইউএনওকে: তথ্যবঞ্চিত গণমাধ্যমকর্মীরা।

আপডেট সময় ০৫:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

​ কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-র বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে উদাসীনতা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে চলার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সরকারি কাজে তথ্য সংগ্রহ বা কোনো বিষয়ে বক্তব্য নিতে সাংবাদিকরা বারবার ফোন করলেও তিনি কল রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম সম্পর্কে সঠিক তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বিঘ্ন ঘটছে।

​অভিযোগের প্রেক্ষাপট

​স্থানীয় সাংবাদিকদের দাবি, জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানতে বা সরকারি প্রকল্পের অনিয়ম-অসংগতি নিয়ে কথা বলতে ইউএনও’র সরকারি মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেন না। অনেক সময় কল ব্যাকও করেন না। ফলে সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন সংবাদকর্মীরা।

তথ্য প্রাপ্তিতে বাধা: সরকারি সেবা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সেতুবন্ধন জরুরি। কিন্তু উলিপুরে সেই চিত্র উল্টো।

​জরুরি প্রয়োজনে অনুপস্থিতি: কোনো দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে দ্রুততম সময়ে প্রশাসনের বক্তব্য প্রয়োজন হয়। কিন্তু এমন মুহূর্তেও ইউএনও-কে ফোনে না পাওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।

​সাংবাদিকদের ক্ষোভ

​উলিপুরে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা জানান, তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক। কিন্তু উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেকে এক প্রকার ‘আড়ালে’ রাখছেন।

“আমরা সংবাদের প্রয়োজনে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেন না। ব্যক্তিগতভাবে দেখা করতে গেলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে পেশাগত দায়িত্ব পালন আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।” — স্থানীয় এক সংবাদকর্মী।

প্রশাসনের নীরবতা

​এ বিষয়ে ইউএনও’র বক্তব্য নিতে পুনরায় মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণত দাপ্তরিক ব্যস্ততার অজুহাত দেওয়া হলেও দিনের পর দিন এমন আচরণকে ‘অসহযোগিতা’ হিসেবেই দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

প্রতিকার ও প্রত্যাশা

​গণমাধ্যমকর্মীরা মনে করেন, তথ্য আদান-প্রদান বাধাগ্রস্ত হলে এলাকায় গুজব ছড়ানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ইতিবাচক সহযোগিতা এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ।