হলোখানা ইউনিয়নে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন ।
কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২নং হলোখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রেজাউল করিম রেজা। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা একজন শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতন করে তুলবে। সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম রেজা বলেন, “কথা নয়, কাজ—জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকাই আমার অঙ্গীকার। আমি সবসময় জনগণের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ।” স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ জনপদে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২নং হলোখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রেজাউল করিম রেজা।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা একজন শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতন করে তুলবে।
সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম রেজা বলেন, “কথা নয়, কাজ—জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকাই আমার অঙ্গীকার। আমি সবসময় জনগণের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ জনপদে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।