ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও ভারসাম্য, মমিনুল ইসলাম সাংবাদিক ও লেখক 

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত এবং চীন দুটি বৃহৎ শক্তি। দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত বিরোধ এবং বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা থাকলেও, আধুনিক বিশ্বে দেশগুলো সরাসরি সংঘাতের চেয়ে কূটনৈতিক আলোচনা এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্যের ওপর বেশি জোর দেয়।

বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক

​বাংলাদেশ তার উন্নয়নের জন্য চীনের সাথে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সম্পর্ক বজায় রাখে। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়”—এই নীতির ওপর ভিত্তি করে চলে। ফলে চীন যেমন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, ভারতের সাথেও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক কারণে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশ সাধারণত কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে।

পশ্চিমবঙ্গ ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি

​পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এবং মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে নানা মহলে ভিন্ন ভিন্ন মত থাকতে পারে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডকে কেউ কেউ ‘উস্কানিমূলক’ মনে করতে পারেন, আবার সমর্থকরা তাকে ‘অধিকার আদায়ের লড়াই’ হিসেবে দেখেন। এটি মূলত রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়।

সারকথা:

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো দেশই সাধারণত একক কোনো শক্তির ওপর সম্পূর্ণ ভরসা করে চলে না। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রতিটি দেশই নিজস্ব কৌশল অবলম্বন করে। উত্তেজনা বা উস্কানির চেয়ে আলোচনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতাই দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কার্যকর পথ।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও ভারসাম্য, মমিনুল ইসলাম সাংবাদিক ও লেখক 

আপডেট সময় ০১:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত এবং চীন দুটি বৃহৎ শক্তি। দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত বিরোধ এবং বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা থাকলেও, আধুনিক বিশ্বে দেশগুলো সরাসরি সংঘাতের চেয়ে কূটনৈতিক আলোচনা এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্যের ওপর বেশি জোর দেয়।

বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক

​বাংলাদেশ তার উন্নয়নের জন্য চীনের সাথে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সম্পর্ক বজায় রাখে। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়”—এই নীতির ওপর ভিত্তি করে চলে। ফলে চীন যেমন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, ভারতের সাথেও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক কারণে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশ সাধারণত কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে।

পশ্চিমবঙ্গ ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি

​পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এবং মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে নানা মহলে ভিন্ন ভিন্ন মত থাকতে পারে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডকে কেউ কেউ ‘উস্কানিমূলক’ মনে করতে পারেন, আবার সমর্থকরা তাকে ‘অধিকার আদায়ের লড়াই’ হিসেবে দেখেন। এটি মূলত রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়।

সারকথা:

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো দেশই সাধারণত একক কোনো শক্তির ওপর সম্পূর্ণ ভরসা করে চলে না। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রতিটি দেশই নিজস্ব কৌশল অবলম্বন করে। উত্তেজনা বা উস্কানির চেয়ে আলোচনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতাই দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কার্যকর পথ।