ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

উলিপুরে বিএনপির তৃণমূল শক্তি ও ত্যাগী কর্মীদের সংকটের নেপথ্যে ​।

উলিপুর একসময় বিএনপির একটি শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই সাংগঠনিক দৃঢ়তায় ভাটা পড়েছে। বিশেষ করে দলের দুঃসময়ে যারা মিছিল মিটিং ও মাঠের লড়াইয়ে সামনের সারিতে থাকতেন, সেই ” ত্যাগী কর্মীদের একটি বড় অংশ বর্তমানে রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।

দীর্ঘকালীন মামলার বোঝা ও আইনি জটিলতা: তৃণমূলের অনেক নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর নামে একাধিক মামলা রয়েছে। বছরের পর বছর আদালত পাড়ায় দৌড়ঝাঁপ এবং আর্থিক ও মানসিক চাপে পড়ে অনেকেই স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।​আর্থিক অনটন মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সিংহভাগই নিম্ন বা মধ্যবিত্ত পরিবারের। দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকায় এবং রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে তারা কর্মসংস্থান বা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। পরিবারের অন্নসংস্থানের তাগিদে তারা রাজনীতিতে সময় দিতে পারছেন না।​নেতৃত্বের। অনেক কর্মীর অভিযোগ, স্থানীয় মূল ধারার নেতৃত্বের সাথে তৃণমূলের সরাসরি যোগাযোগ আগের মতো নেই। বিপদে-আপদে বা আইনি লড়াইয়ে নেতৃত্বের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ার ক্ষোভ অনেককে রাজনীতি বিমুখ করেছে।​অভ্যন্তরীণ কোন্দল: উলিপুর বিএনপিতে বিভিন্ন গ্রুপ বা বলয় সক্রিয় থাকায় কর্মীরা দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ছেন। দলের চেয়ে ব্যক্তিবন্দনায় গুরুত্ব বেশি পাওয়ায় আদর্শিক কর্মীরা উৎসাহ হারাচ্ছেন।​নতুন : দীর্ঘদিন একই কমিটি বা একই ধরনের নেতৃত্ব কাঠামো বহাল থাকায় নতুন এবং উদ্যমী কর্মীদের মূল ধারায় আসার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।

​ বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব​মাঠের কর্মসূচিতে স্থবিরতা: ত্যাগী কর্মীরা নিষ্ক্রিয় হওয়ায় দলের বড় কোনো সভা বা মিছিলে লোকসমাগম আগের তুলনায় কমেছে।​ভোটের রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব: কর্মীরাই মূলত সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করেন। তাদের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়া কঠিন হতে পারে

।​সাংগঠনিক দুর্বলতা: ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির কমিটিগুলো বর্তমানে কাগজে-কলমে সক্রিয় থাকলেও বাস্তবে তাদের কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ।

​ উত্তরণের সম্ভাব্য পথ

​”দলের ভিত্তি হচ্ছে তৃণমূল। যদি ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং আপদকালীন সময়ে তাদের পাশে না দাঁড়ানো হয়, তবে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা অসম্ভব।”​মামলার আইনি সহায়তা বৃদ্ধি: স্থানীয় পর্যায় থেকে কর্মীদের জন্য শক্তিশালী লিগ্যাল এইড গঠন করা।​তৃণমূল সফর: কেন্দ্রীয় ও উপজেলা পর্যায়ের সিনিয়র নেতাদের সরাসরি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে গিয়ে কর্মীদের সাথে কথা বলা।​

কোন্দল নিরসন: ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দলীয় ঐক্য নিশ্চিত করা।​পারিবারিক ও আর্থিক পাশে দাঁড়ানো: সামর্থ্য অনুযায়ী দুস্থ ও বিপদগ্রস্ত কর্মীদের কর্মসংস্থান বা আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

উলিপুর বিএনপির প্রাণশক্তি হচ্ছে এর প্রান্তিক কর্মীবাহিনী। এই ‘ত্যাগী

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

উলিপুরে বিএনপির তৃণমূল শক্তি ও ত্যাগী কর্মীদের সংকটের নেপথ্যে ​।

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

উলিপুর একসময় বিএনপির একটি শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই সাংগঠনিক দৃঢ়তায় ভাটা পড়েছে। বিশেষ করে দলের দুঃসময়ে যারা মিছিল মিটিং ও মাঠের লড়াইয়ে সামনের সারিতে থাকতেন, সেই ” ত্যাগী কর্মীদের একটি বড় অংশ বর্তমানে রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।

দীর্ঘকালীন মামলার বোঝা ও আইনি জটিলতা: তৃণমূলের অনেক নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর নামে একাধিক মামলা রয়েছে। বছরের পর বছর আদালত পাড়ায় দৌড়ঝাঁপ এবং আর্থিক ও মানসিক চাপে পড়ে অনেকেই স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।​আর্থিক অনটন মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সিংহভাগই নিম্ন বা মধ্যবিত্ত পরিবারের। দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকায় এবং রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে তারা কর্মসংস্থান বা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। পরিবারের অন্নসংস্থানের তাগিদে তারা রাজনীতিতে সময় দিতে পারছেন না।​নেতৃত্বের। অনেক কর্মীর অভিযোগ, স্থানীয় মূল ধারার নেতৃত্বের সাথে তৃণমূলের সরাসরি যোগাযোগ আগের মতো নেই। বিপদে-আপদে বা আইনি লড়াইয়ে নেতৃত্বের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ার ক্ষোভ অনেককে রাজনীতি বিমুখ করেছে।​অভ্যন্তরীণ কোন্দল: উলিপুর বিএনপিতে বিভিন্ন গ্রুপ বা বলয় সক্রিয় থাকায় কর্মীরা দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ছেন। দলের চেয়ে ব্যক্তিবন্দনায় গুরুত্ব বেশি পাওয়ায় আদর্শিক কর্মীরা উৎসাহ হারাচ্ছেন।​নতুন : দীর্ঘদিন একই কমিটি বা একই ধরনের নেতৃত্ব কাঠামো বহাল থাকায় নতুন এবং উদ্যমী কর্মীদের মূল ধারায় আসার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।

​ বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব​মাঠের কর্মসূচিতে স্থবিরতা: ত্যাগী কর্মীরা নিষ্ক্রিয় হওয়ায় দলের বড় কোনো সভা বা মিছিলে লোকসমাগম আগের তুলনায় কমেছে।​ভোটের রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব: কর্মীরাই মূলত সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করেন। তাদের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়া কঠিন হতে পারে

।​সাংগঠনিক দুর্বলতা: ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির কমিটিগুলো বর্তমানে কাগজে-কলমে সক্রিয় থাকলেও বাস্তবে তাদের কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ।

​ উত্তরণের সম্ভাব্য পথ

​”দলের ভিত্তি হচ্ছে তৃণমূল। যদি ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং আপদকালীন সময়ে তাদের পাশে না দাঁড়ানো হয়, তবে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা অসম্ভব।”​মামলার আইনি সহায়তা বৃদ্ধি: স্থানীয় পর্যায় থেকে কর্মীদের জন্য শক্তিশালী লিগ্যাল এইড গঠন করা।​তৃণমূল সফর: কেন্দ্রীয় ও উপজেলা পর্যায়ের সিনিয়র নেতাদের সরাসরি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে গিয়ে কর্মীদের সাথে কথা বলা।​

কোন্দল নিরসন: ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দলীয় ঐক্য নিশ্চিত করা।​পারিবারিক ও আর্থিক পাশে দাঁড়ানো: সামর্থ্য অনুযায়ী দুস্থ ও বিপদগ্রস্ত কর্মীদের কর্মসংস্থান বা আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

উলিপুর বিএনপির প্রাণশক্তি হচ্ছে এর প্রান্তিক কর্মীবাহিনী। এই ‘ত্যাগী