ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

ফটিকছড়িতে গৃহবধূ মামনি হত্যা মামলা: দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে প্রেরণ।

  • নাজিম উদ্দীন
  • আপডেট সময় ০৩:০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে
৩১

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে আলোচিত গৃহবধূ মামনি বালা দে (২৫) হত্যা মামলার দুই আসামি তয়ন দে ও সানি দাশের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সোমবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রামের একটি আদালতে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক জামিন আবেদন খারিজ করে দুই আসামিকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে ফটিকছড়ির ভূজপুর থানার অন্তর্গত হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের মহানগর এলাকার ভুবন মহাজন বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রবাসী রূপন কান্তি দে-এর বসতঘরে দেয়াল টপকে ও ছাদের পথ ব্যবহার করে একদল দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে। সে সময় ঘরে একা থাকা গৃহবধূ মামনি বালা দে-কে ছুরিকাঘাতের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

ঘটনার সময় নিহতের চিৎকার শুনে তার শ্বশুর মিলন কান্তি দে এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তার ওপরও হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় নিহতের শাশুড়ি এক বছর বয়সী নাতনিকে নিয়ে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় প্রতিবেশী সানি দাশসহ কয়েকজনকে চিনতে পারেন। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সানি দাশ ও তয়ন দে-কে গ্রেপ্তার করে।

আদালতের সর্বশেষ আদেশের পর নিহতের পরিবার মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

নিহতের স্বামী, প্রবাসী রূপন কান্তি দে বলেন, “দীর্ঘ সাত বছর ধরে আমরা বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। যারা আমার স্ত্রীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের যেন দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হয়। আদালত আজ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করায় আমরা কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছি। এখন চাই, মামলার বিচার দ্রুত শেষ হোক এবং প্রকৃত অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাক।”

পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় তারা মানসিকভাবে চরম কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। তারা আশা করছেন, আদালতের এই সিদ্ধান্ত মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।

ফটিকছড়িতে গৃহবধূ মামনি হত্যা মামলা: দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে প্রেরণ।

আপডেট সময় ০৩:০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
৩১

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে আলোচিত গৃহবধূ মামনি বালা দে (২৫) হত্যা মামলার দুই আসামি তয়ন দে ও সানি দাশের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সোমবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রামের একটি আদালতে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক জামিন আবেদন খারিজ করে দুই আসামিকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে ফটিকছড়ির ভূজপুর থানার অন্তর্গত হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের মহানগর এলাকার ভুবন মহাজন বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রবাসী রূপন কান্তি দে-এর বসতঘরে দেয়াল টপকে ও ছাদের পথ ব্যবহার করে একদল দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে। সে সময় ঘরে একা থাকা গৃহবধূ মামনি বালা দে-কে ছুরিকাঘাতের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

ঘটনার সময় নিহতের চিৎকার শুনে তার শ্বশুর মিলন কান্তি দে এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তার ওপরও হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় নিহতের শাশুড়ি এক বছর বয়সী নাতনিকে নিয়ে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় প্রতিবেশী সানি দাশসহ কয়েকজনকে চিনতে পারেন। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সানি দাশ ও তয়ন দে-কে গ্রেপ্তার করে।

আদালতের সর্বশেষ আদেশের পর নিহতের পরিবার মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

নিহতের স্বামী, প্রবাসী রূপন কান্তি দে বলেন, “দীর্ঘ সাত বছর ধরে আমরা বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। যারা আমার স্ত্রীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের যেন দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হয়। আদালত আজ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করায় আমরা কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছি। এখন চাই, মামলার বিচার দ্রুত শেষ হোক এবং প্রকৃত অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাক।”

পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় তারা মানসিকভাবে চরম কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। তারা আশা করছেন, আদালতের এই সিদ্ধান্ত মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।