ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

বৃষ্টিতে রাস্তার বেহাল দশা চিলমারীর (পাত্রখাতা) সড়ক চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা।

রাস্তা নির্মাণে বছর না পেরোতেই হেরিংবন্দ ভেঙ্গে রাস্তা ঘাটের দৈন্যদশা ,পর্যাপ্ত গাইড ওয়াল ও পানি নিষ্কাশনের অভাবকেই দায়ী করেছেন ভুক্তভোগীরা। জনদুর্ভোগ চরমে।

৮ মে বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম চিলমারী উপজেলায় কালুরঘাটে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে ভূমিক্ষয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে রাস্তা ঘাট ।

ফলে আকালুরঘাটে জোড়গাছগামী নতুন ব্রিজের গোড়ার মাটি ধসে হেরিংবন্দ ভেঙ্গে গভীর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বড় বড় খানাখন্দের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ বা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র -শিক্ষক, হাটবাজার ,জরুরি সেবা, অসুস্থ রোগী নিয়ে চলাচল এবং দৈনন্দিন জীবনে চরম বিঘ্ন ঘটছে ।

থানাহাট বাজার হতে পাত্রখাতা মিনাবাজার , তিন থানার মোড় পর্যন্ত ৬ টি স্থানে মরণ ফাঁদ/মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা দেখা দিয়েছে।

থানাহাট ও জোড়গাছ বাজারগামী সড়ক থেকে পাত্রখাতা, মিনা বাজার ও কাশিমবাজার এলাকার হাজারও মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রমনা ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় হাট জোরগাছ হওয়াতে আশেপাশের কাছে এ বাজারটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ প্রধান সড়ক জোরগাছ পাত্রখাতা রাস্তা। ফলে চাকরিজীবী থেকে শুরু করে স্কুলগামী সবাই এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। প্রতিদিন এ সড়কে কয়েকশ’ যানবাহন চলাচল করে। রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।

বিশেষ করে আকালুরঘাট চিকন ব্রিজ থেকে পাত্রখাতা আলহাজ্ব ফজলে নূর মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়াও, আলহাজ্ব ফজলে নূর মাস্টারের বাসার সামনের অংশ, ব্যাপারী পাড়া জামে মসজিদের পেছন থেকে পাত্রখাতা ব্যাপারী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ পর্যন্ত পুরো রাস্তা প্রায় সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে।

আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক এসে এমন রবি এ প্রতিনিধিকে বলেন, ‘প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। তাদের চলতে খুবই সমস্যা হয়। প্রায় সময়ই গাড়ি দুর্ঘটনা হয় এ রাস্তাতে। অসুস্থ কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই অনেক ভোগাস্তি নিয়েই আমাদের এ রাস্তা যাতায়াত করতে হয়।’

রমনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বলেন – রাস্তা নির্মাণ করার এক বছরও হয়নি। অতি বৃষ্টিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এলাকাটিতে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আশু সংস্কার হাওয়া জরুরী জনদুর্ভোগ লাঘবে।

এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়া-আসা , স্থানীয় বাসিন্দাদের হাট-বাজারে যাওয়া ও যানবাহন নিয়ে চরম চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে । রাতে রাস্তা পায়ে হেঁটে বা যানবাহন নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এলাকাবাসীর কষ্ট লাঘব ও জনদুর্ভোগ এড়াতে দ্রুত রাস্তা সংস্কার করে চলাচলের সুগম করার দাবি জানিয়েছেন।

তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জন্য জোর দাবি জানান ভূকতভোগীরা।

বদরুদ্দোজা বুলু

চিলমারী কুড়িগ্রাম

০১৭১৫৩০৮১৪১

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে কবর খোদকদের মাঝে নগদ অর্থ ও মাংস বিতরণ ।

বৃষ্টিতে রাস্তার বেহাল দশা চিলমারীর (পাত্রখাতা) সড়ক চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা।

আপডেট সময় ০৬:৩৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

রাস্তা নির্মাণে বছর না পেরোতেই হেরিংবন্দ ভেঙ্গে রাস্তা ঘাটের দৈন্যদশা ,পর্যাপ্ত গাইড ওয়াল ও পানি নিষ্কাশনের অভাবকেই দায়ী করেছেন ভুক্তভোগীরা। জনদুর্ভোগ চরমে।

৮ মে বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম চিলমারী উপজেলায় কালুরঘাটে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে ভূমিক্ষয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে রাস্তা ঘাট ।

ফলে আকালুরঘাটে জোড়গাছগামী নতুন ব্রিজের গোড়ার মাটি ধসে হেরিংবন্দ ভেঙ্গে গভীর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বড় বড় খানাখন্দের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ বা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র -শিক্ষক, হাটবাজার ,জরুরি সেবা, অসুস্থ রোগী নিয়ে চলাচল এবং দৈনন্দিন জীবনে চরম বিঘ্ন ঘটছে ।

থানাহাট বাজার হতে পাত্রখাতা মিনাবাজার , তিন থানার মোড় পর্যন্ত ৬ টি স্থানে মরণ ফাঁদ/মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা দেখা দিয়েছে।

থানাহাট ও জোড়গাছ বাজারগামী সড়ক থেকে পাত্রখাতা, মিনা বাজার ও কাশিমবাজার এলাকার হাজারও মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রমনা ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় হাট জোরগাছ হওয়াতে আশেপাশের কাছে এ বাজারটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ প্রধান সড়ক জোরগাছ পাত্রখাতা রাস্তা। ফলে চাকরিজীবী থেকে শুরু করে স্কুলগামী সবাই এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। প্রতিদিন এ সড়কে কয়েকশ’ যানবাহন চলাচল করে। রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।

বিশেষ করে আকালুরঘাট চিকন ব্রিজ থেকে পাত্রখাতা আলহাজ্ব ফজলে নূর মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়াও, আলহাজ্ব ফজলে নূর মাস্টারের বাসার সামনের অংশ, ব্যাপারী পাড়া জামে মসজিদের পেছন থেকে পাত্রখাতা ব্যাপারী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ পর্যন্ত পুরো রাস্তা প্রায় সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে।

আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক এসে এমন রবি এ প্রতিনিধিকে বলেন, ‘প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। তাদের চলতে খুবই সমস্যা হয়। প্রায় সময়ই গাড়ি দুর্ঘটনা হয় এ রাস্তাতে। অসুস্থ কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই অনেক ভোগাস্তি নিয়েই আমাদের এ রাস্তা যাতায়াত করতে হয়।’

রমনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বলেন – রাস্তা নির্মাণ করার এক বছরও হয়নি। অতি বৃষ্টিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এলাকাটিতে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আশু সংস্কার হাওয়া জরুরী জনদুর্ভোগ লাঘবে।

এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়া-আসা , স্থানীয় বাসিন্দাদের হাট-বাজারে যাওয়া ও যানবাহন নিয়ে চরম চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে । রাতে রাস্তা পায়ে হেঁটে বা যানবাহন নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এলাকাবাসীর কষ্ট লাঘব ও জনদুর্ভোগ এড়াতে দ্রুত রাস্তা সংস্কার করে চলাচলের সুগম করার দাবি জানিয়েছেন।

তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জন্য জোর দাবি জানান ভূকতভোগীরা।

বদরুদ্দোজা বুলু

চিলমারী কুড়িগ্রাম

০১৭১৫৩০৮১৪১