ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

কুড়িগ্রাম রাজারহাটের ভূমি অফিস সড়ক অর্ধবৃষ্টিতেই পানির নিচে ড্রেনেজ না থাকায় বিপর্যস্ত জনজীবন।

  • রতন রায়
  • আপডেট সময় ০৩:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
২৪০

রাজারহাট থানার পশ্চিম প্রাচীর সংলগ্ন ভূমি অফিসে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সড়কটির পিচ দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ, ভূমি অফিসের সেবাপ্রার্থী ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সরজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখা যায় যে,এ সড়কটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমি অফিস ও পার্শ্ববর্তী জনপদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু মাত্র আধঘণ্টার অল্প বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যায়, যা চলাচল প্রায় অসম্ভব করে তোলে। শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত ও সেবাপ্রার্থীদের ভূমি অফিসে আসা-যাওয়া প্রতিদিনই ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আব্দুর রউফ বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে সবার চলাচল। পানি দ্রুত না নামায়- শিশু-বৃদ্ধ, সবার কষ্ট হয়। প্রশাসন যদি ড্রেনেজ ব্যবস্থা না করে, তাহলে রাস্তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।”

অপর এক পথচারী নুরনাহার বেগম জানান, “ভূমি অফিসে আসতে হয় ঘন ঘন। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ডুবিয়ে দেয় পানিতে। সারা বছর এই দুরবস্থা থাকে। ছোট শিশু হাতে নিয়ে পার হতে গেলে পা পিছলে যাওয়ার ভয় থাকে।”

এলাকাবাসীর দাবি, জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘব ও সড়ক রক্ষায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ গ্রহণ করা হোক। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তার জানান, আমি অবগত নই তবে আপনার মাধ্যমে যেহেতু অভিযোগ পেলাম আমি দ্রুত প্রশাসনিকভাবে অবগত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ‘তানজিলা তাসনিম’জানিয়েছেন, অভিযোগ পর্যালোচনা করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিবেদকে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক-দুই বিষয়ে ফেল করলেও ডিসেম্বরেই আবার পরীক্ষার সুযোগ

কুড়িগ্রাম রাজারহাটের ভূমি অফিস সড়ক অর্ধবৃষ্টিতেই পানির নিচে ড্রেনেজ না থাকায় বিপর্যস্ত জনজীবন।

আপডেট সময় ০৩:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
২৪০

রাজারহাট থানার পশ্চিম প্রাচীর সংলগ্ন ভূমি অফিসে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সড়কটির পিচ দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ, ভূমি অফিসের সেবাপ্রার্থী ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সরজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখা যায় যে,এ সড়কটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমি অফিস ও পার্শ্ববর্তী জনপদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু মাত্র আধঘণ্টার অল্প বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যায়, যা চলাচল প্রায় অসম্ভব করে তোলে। শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত ও সেবাপ্রার্থীদের ভূমি অফিসে আসা-যাওয়া প্রতিদিনই ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আব্দুর রউফ বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে সবার চলাচল। পানি দ্রুত না নামায়- শিশু-বৃদ্ধ, সবার কষ্ট হয়। প্রশাসন যদি ড্রেনেজ ব্যবস্থা না করে, তাহলে রাস্তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।”

অপর এক পথচারী নুরনাহার বেগম জানান, “ভূমি অফিসে আসতে হয় ঘন ঘন। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ডুবিয়ে দেয় পানিতে। সারা বছর এই দুরবস্থা থাকে। ছোট শিশু হাতে নিয়ে পার হতে গেলে পা পিছলে যাওয়ার ভয় থাকে।”

এলাকাবাসীর দাবি, জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘব ও সড়ক রক্ষায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ গ্রহণ করা হোক। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তার জানান, আমি অবগত নই তবে আপনার মাধ্যমে যেহেতু অভিযোগ পেলাম আমি দ্রুত প্রশাসনিকভাবে অবগত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ‘তানজিলা তাসনিম’জানিয়েছেন, অভিযোগ পর্যালোচনা করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিবেদকে।