সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন কুড়িগ্রামের পরিচিত সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী এমডি তাজুল ইসলাম তাজ। ২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া তাঁর মানবিক কার্যক্রম ২০২৬ সালেও ধারাবাহিকভাবে চলমান রয়েছে। নীরবে-নিভৃতে মানুষের কল্যাণে কাজ করে তিনি স্থানীয় জনগণের কাছে আস্থা, ভালোবাসা ও মানবতার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
জানা যায়, ব্যবসার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান, ঈদ উপহার বিতরণ, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে তাঁর এই প্রচেষ্টা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক জরুরি ঘোষণায় তিনি জানান, ঈদের সময় গভীর রাতে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে এসে যানবাহন সংকটে পড়া যাত্রীদের প্রয়োজন হলে নিজের ব্যবহৃত গাড়ি দিয়ে সহযোগিতা করবেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা পায়।
ঈদ উপলক্ষে অসহায় শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতেও এগিয়ে আসেন তিনি। স্থানীয় এক ব্যক্তি পাঁচজন শিশুর জন্য নতুন পোশাকের অনুরোধ করলে তিনি শুধু পাঁচজন নয়, ছয়জন শিশুর জন্য নতুন ঈদের পোশাকের ব্যবস্থা করেন। ফলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদের আনন্দ আরও পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এছাড়াও সম্প্রতি এক দরিদ্র গার্মেন্টস শ্রমিকের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাজুল ইসলাম তাজ। জানা যায়, ওই শ্রমিকের টনসিলের জটিল অস্ত্রোপচারের পর প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনার সামর্থ্য ছিল না। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সাত দিনের প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনে দেন এবং রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ে সহায়তা করেন। বর্তমানে উলিপুরের মিনাবাজার এলাকার ওই শ্রমিকের চিকিৎসা চলমান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মানবতার কল্যাণে কাজ করার ক্ষেত্রে তাজুল ইসলাম তাজ সবসময় আন্তরিক। এলাকার কোনো অসহায় ব্যক্তি সমস্যায় পড়লে তিনি যথাসাধ্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। ফলে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন মানবিক ও সমাজসেবামূলক ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।
সচেতন মহলের মতে, বর্তমান সময়ে যখন ব্যক্তি স্বার্থের বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে, তখন এমডি তাজুল ইসলাম তাজের মতো মানুষদের মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা জোগায়। তাঁর এ ধরনের সেবামূলক কর্মকাণ্ড সমাজের বিত্তবান ও সক্ষম ব্যক্তিদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

আব্দুল আজিজ মিয়া 



















