আপডেট সময়
১১:২৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৫২
বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রামে মা ইলিশ আহরণ বন্ধে অভিযান, অবৈধ জাল জব্দ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ আহরণ, অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার বন্ধে সমন্বিত অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও থানা পুলিশ। অভিযানে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েক কিলোমিটার চায়না ও দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত থেকে দুধকুমার নদের সামাদের ঘাট থেকে আন্ধারিঝাড়ের ধাউরারকুঠি পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দুধকুমার নদে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার এবং আইপিএস ও ব্যাটারি ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক শকের মাধ্যমে মাছ আহরণ বন্ধে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার প্রতিনিধি, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, নদীটি সরু ও বিভিন্ন স্থানে চরবেষ্টিত হওয়ায় দূর থেকেই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন জেলে সরে যান। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েক কিলোমিটার চায়না ও দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে। মৎস্য প্রজাতি ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
৬৫
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ আহরণ, অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার বন্ধে সমন্বিত অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও থানা পুলিশ। অভিযানে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েক কিলোমিটার চায়না ও দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত থেকে দুধকুমার নদের সামাদের ঘাট থেকে আন্ধারিঝাড়ের ধাউরারকুঠি পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দুধকুমার নদে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার এবং আইপিএস ও ব্যাটারি ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক শকের মাধ্যমে মাছ আহরণ বন্ধে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার প্রতিনিধি, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, নদীটি সরু ও বিভিন্ন স্থানে চরবেষ্টিত হওয়ায় দূর থেকেই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন জেলে সরে যান। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েক কিলোমিটার চায়না ও দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে।
মৎস্য প্রজাতি ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।