ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

উলিপুরে গাক এনজিওর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও জালিয়াতির অভিযোগ: ক্ষুব্ধ গ্রাহক।

২১৪

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় গ্রামীণ আলো বাতি কল্যাণ সংস্থা (গাক) এনজিওর শাখা কার্যালয়ে ক্ষুদ্র ঋণের নামে ভয়াবহ জালিয়াতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ঋণের টাকা দেওয়ার নাম করে অসহায় গ্রাহকদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন শাখার শীর্ষ কর্মকর্তারা।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ১ লক্ষ টাকা ঋণের কথা বলে কাগজে-কলমে পুরো অঙ্ক লিখিয়ে নেওয়া হলেও গ্রাহকদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫০,০০০ টাকা। বাকি টাকা সরাসরি পকেটে ভরছেন উলিপুর শাখার ম্যানেজার শিমুল ও সহকারী ম্যানেজার বদরুল আলম।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ ব্যবসার পুঁজি বা পারিবারিক প্রয়োজনে গাক এনজিওর উলিপুর শাখায় ক্ষুদ্র ঋণের জন্য আবেদন করেন। ঋণ অনুমোদনের পর গ্রাহকদের ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর এবং পাসবইয়ে ১ লক্ষ টাকা ব্যালেন্স দেখানো হয়। কিন্তু চূড়ান্তভাবে টাকা বিতরণের সময় নানা অজুহাতে এবং ‘কমিশন’ বা ‘ঘুষ’ বাবদ ৫০,০০০ টাকা কেটে রেখে বাকি অর্ধেক টাকা ভুক্তভোগীদের হাতে দেওয়া হচ্ছে। অথচ মাঠ পর্যায়ে কিস্তি আদায়ের সময় পুরো ১ লক্ষ টাকার ওপরেই সুদসহ কিস্তি দাবি করা হচ্ছে।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “আমরা নিরুপায় হয়ে ঋণের জন্য গিয়েছিলাম। ম্যানেজার শিমুল আর সহকারী ম্যানেজার বজলুল আলম আমাদের বলেন, উপর মহলকে ম্যানেজ করতে হবে, না হলে ঋণ পাস হবে না। ১ লক্ষ টাকা লিখে আমাদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন পুরো টাকার কিস্তি শোধ করতে গিয়ে আমরা দিশেহারা।”

​এ বিষয়ে জানতে গাক এনজিওর উলিপুর শাখার ম্যানেজার শিমুল ও সহকারী ম্যানেজার বজলুল আলমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং সদুত্তর দিতে পারেননি।

​দরিদ্র গ্রাহকদের রক্তচোষা এই জালিয়াতি ও ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) এবং উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাহেবের আলগা ইউনিয়নে উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তার অনিয়ম ও দুর্নীতিতে ভেস্তে যাচ্ছে ভূমি সেবা

উলিপুরে গাক এনজিওর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও জালিয়াতির অভিযোগ: ক্ষুব্ধ গ্রাহক।

আপডেট সময় ১১:০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
২১৪

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় গ্রামীণ আলো বাতি কল্যাণ সংস্থা (গাক) এনজিওর শাখা কার্যালয়ে ক্ষুদ্র ঋণের নামে ভয়াবহ জালিয়াতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ঋণের টাকা দেওয়ার নাম করে অসহায় গ্রাহকদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন শাখার শীর্ষ কর্মকর্তারা।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ১ লক্ষ টাকা ঋণের কথা বলে কাগজে-কলমে পুরো অঙ্ক লিখিয়ে নেওয়া হলেও গ্রাহকদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫০,০০০ টাকা। বাকি টাকা সরাসরি পকেটে ভরছেন উলিপুর শাখার ম্যানেজার শিমুল ও সহকারী ম্যানেজার বদরুল আলম।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ ব্যবসার পুঁজি বা পারিবারিক প্রয়োজনে গাক এনজিওর উলিপুর শাখায় ক্ষুদ্র ঋণের জন্য আবেদন করেন। ঋণ অনুমোদনের পর গ্রাহকদের ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর এবং পাসবইয়ে ১ লক্ষ টাকা ব্যালেন্স দেখানো হয়। কিন্তু চূড়ান্তভাবে টাকা বিতরণের সময় নানা অজুহাতে এবং ‘কমিশন’ বা ‘ঘুষ’ বাবদ ৫০,০০০ টাকা কেটে রেখে বাকি অর্ধেক টাকা ভুক্তভোগীদের হাতে দেওয়া হচ্ছে। অথচ মাঠ পর্যায়ে কিস্তি আদায়ের সময় পুরো ১ লক্ষ টাকার ওপরেই সুদসহ কিস্তি দাবি করা হচ্ছে।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “আমরা নিরুপায় হয়ে ঋণের জন্য গিয়েছিলাম। ম্যানেজার শিমুল আর সহকারী ম্যানেজার বজলুল আলম আমাদের বলেন, উপর মহলকে ম্যানেজ করতে হবে, না হলে ঋণ পাস হবে না। ১ লক্ষ টাকা লিখে আমাদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন পুরো টাকার কিস্তি শোধ করতে গিয়ে আমরা দিশেহারা।”

​এ বিষয়ে জানতে গাক এনজিওর উলিপুর শাখার ম্যানেজার শিমুল ও সহকারী ম্যানেজার বজলুল আলমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং সদুত্তর দিতে পারেননি।

​দরিদ্র গ্রাহকদের রক্তচোষা এই জালিয়াতি ও ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) এবং উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।