ঢাকা , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

নাজিমখাঁন ইউনিয়নে ক্ষণিকের তাণ্ডবে ভস্মীভূত ঘর সহায়তায় পাশে দাঁড়ালেন রাজারহাটের ইউএনও।

  • রতন রায়
  • আপডেট সময় ০৬:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
১৭১

অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো এক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানজিলা তাসনিম। খবর পেয়ে রাতেই জরুরি খাদ্য সহায়তা পাঠান তিনি; পরদিন সশরীরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে তুলে দেন নগদ অর্থ ও সান্ত্বনা।

উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের মনিডাকুয়া ও বালাপাড়া এলাকায় গতকাল (২৮ আগস্ট) দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়েছে মো. দবির উদ্দিনের বসতবাড়ি। আগুনের খবর পেয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেন ইউএনও তানজিলা তাসনিম। প্রথমেই তিনি ওই রাতেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য চার প্যাকেট শুকনো খাবার প্রেরণ করেন।

আজ দুপুরে সরেজমিনে দগ্ধ বাড়ি পরিদর্শনে যান এই নির্বাহী অফিসার । তিনি দবির উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, শোক ও দুর্দশার মুহূর্তে তাদের মনোবল বাড়াতে সান্ত্বনা দেন। পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে দবির উদ্দিনকে পাঁচ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি, আলাদা থাকা তার মেয়ের পরিবারকেও আরও পাঁচ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয় সর্বমোট ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পান তারা।

ইউএনও তানজিলা তাসনিম এ সময় জানান, আসন্ন শীতের কথা মাথায় রেখে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে কম্বল পাঠানো হবে। পাশাপাশি, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তী পর্যায়ে ঘর নির্মাণের জন্য টিন ও নগদ অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

দ্রুত প্রশাসনের এমন সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দবির উদ্দিন ও তার পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দারাও ইউএনও’র এই মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, ‘দুঃসময়ে প্রশাসন এভাবে পাশে থাকলে ভুক্তভোগীরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে।’

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে দবির উদ্দিনের বাড়ি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক-দুই বিষয়ে ফেল করলেও ডিসেম্বরেই আবার পরীক্ষার সুযোগ

নাজিমখাঁন ইউনিয়নে ক্ষণিকের তাণ্ডবে ভস্মীভূত ঘর সহায়তায় পাশে দাঁড়ালেন রাজারহাটের ইউএনও।

আপডেট সময় ০৬:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
১৭১

অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো এক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানজিলা তাসনিম। খবর পেয়ে রাতেই জরুরি খাদ্য সহায়তা পাঠান তিনি; পরদিন সশরীরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে তুলে দেন নগদ অর্থ ও সান্ত্বনা।

উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের মনিডাকুয়া ও বালাপাড়া এলাকায় গতকাল (২৮ আগস্ট) দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়েছে মো. দবির উদ্দিনের বসতবাড়ি। আগুনের খবর পেয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেন ইউএনও তানজিলা তাসনিম। প্রথমেই তিনি ওই রাতেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য চার প্যাকেট শুকনো খাবার প্রেরণ করেন।

আজ দুপুরে সরেজমিনে দগ্ধ বাড়ি পরিদর্শনে যান এই নির্বাহী অফিসার । তিনি দবির উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, শোক ও দুর্দশার মুহূর্তে তাদের মনোবল বাড়াতে সান্ত্বনা দেন। পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে দবির উদ্দিনকে পাঁচ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি, আলাদা থাকা তার মেয়ের পরিবারকেও আরও পাঁচ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয় সর্বমোট ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পান তারা।

ইউএনও তানজিলা তাসনিম এ সময় জানান, আসন্ন শীতের কথা মাথায় রেখে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে কম্বল পাঠানো হবে। পাশাপাশি, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তী পর্যায়ে ঘর নির্মাণের জন্য টিন ও নগদ অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

দ্রুত প্রশাসনের এমন সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দবির উদ্দিন ও তার পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দারাও ইউএনও’র এই মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, ‘দুঃসময়ে প্রশাসন এভাবে পাশে থাকলে ভুক্তভোগীরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে।’

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে দবির উদ্দিনের বাড়ি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।