কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচীর আওতায় স্বপ্নসারথি কিশোরী দলের প্রথম পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকাল ৪ ঘটিকায় পাইকেরছড়া গ্ৰামে কর্মসূচির আয়োজনে সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এ সমাপনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় ২৫ জন স্বপ্নসারথি কিশোরীর মাঝে সফলতার স্মারক হিসেবে গ্রাজুয়েশন সনদপত্র প্রদান করা হয়। এসময় দলের ৩ জনকে চ্যাম্পিয়ান নির্বাচিত করা হয়। স্বপ্ন সারথিরা জুলাই ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ৩০টি জীবন দক্ষতা সেশন ও ৪টি ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং সেশন এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, নেতৃত্বের বিকাশ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং শিক্ষার গুরুত্বের উপর শিখন-পঠনের মাধ্যমে অর্জিত জীবন দক্ষতা মূলক নানা সফলতার গল্প তুলে ধরে বলেন,এই কার্যক্রম আমাদের বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষাসহ আত্মবিশ্বাস করে গড়ে তুলতে এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহন করতে আলোর দিশা খুঁজে পেয়েছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,ফরিদুল ইসলাম (ইউপি সদস্য) , জ্যোসনা বেগম,(শিক্ষক) মজিদুল ইসলাম খোকন (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব) মসজিদের ইমাম, সমাজ সেবক সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকগন। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ কিশোরীদেরকে স্বপ্ন বাস্তবায়নে পরিবার ও সমাজকে আরও সহায়ক ভূমিকা পালন করাসহ বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন মুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য যে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সের কিশোরীদের বাল্যবিবাহের ঝুঁকি বেশি। এ ঝুঁকি থেকে উত্তোরণে ১৩ থেকে ১৭,পার করেছি ১৮ এমন শ্লোগানে ২০২৩ সালে ওই কমিউনিটির ২৫ জন স্বপ্নবাজ কিশোরীদের নিয়ে একটি স্বপ্নসারথি দল গঠন করা হয়।যার মধ্যে দিয়ে কিশোরীরা ১৭ বছর পেরিয়ে যৌবন প্রাপ্ত ১৮ বছরে পদার্পণ করাসহ জীবন দক্ষতামূলক নানা জ্ঞান অর্জন করে আলো পথে,ভালোর পথের দিশা খুঁজে পায়। সব মিলে এসব কিশোরীর স্বপ্ন ডানা মেলুক,বাল্যবিয়ে রুখুক এবং আগামী সুন্দর গড়ুক এমন প্রত্যাশা সবার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি(সেলফ) অফিসার হিতেশ কুমার রায় এবং সহযোগিতার করেন শারমিন আক্তার সুমি (কমিউনিটি অর্গানাইজার)। অনুষ্ঠান শেষে কিশোরীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে স্বপ্ন সারথি কিশোরীদের প্রথম কোহোর্ট সমাপনী অনুষ্ঠান, আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করেন সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি(সেলফ) অফিসার হিতেশ কুমার রায়।

মোঃ রফিকুল ইসলাম 



















