ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা।

১৩৫

টানা ৬ মাস পর আবারও খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক। এবার মসজিদের ১৩টি সিন্দুক (দানবাক্স) খুলে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। নগদ টাকা ছাড়াও সিন্দুকে মিলেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিবের উপস্থিতিতে লোহার সিন্দুকগুলো খোলা হয়। বর্তমানে রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ মিলে এই টাকা গণনার কাজ করছেন।

টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন পাগলা মসজিদ নূরানী কুরআন হাফিজিয়া মা্রদাসার ১০০ জন শিক্ষার্থী, শহরের আল জামিয়াতুল ইমদাদীয়ার ২০০ জন শিক্ষার্থী এবং রূপালী ব্যাংকের ৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সারাদিন গণনা শেষে আজ সন্ধ্যার পর জানা যাবে এবার মোট কত টাকা জমা পড়েছে।

এর আগে, সর্বশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর এই দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন সিন্দুক থেকে রেকর্ড পৌনে ১২ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

জনশ্রুতি রয়েছে, কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদীর মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা চরে এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের আস্তানা ছিল। ওই সাধকের মৃত্যুর পর সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়, যা পরবর্তীতে ‘পাগলা মসজিদ’ নামে পরিচিতি পায়। এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয় বিশ্বাস থেকেই সাধারণ মানুষ এখানে নিয়মিত নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা দান করে থাকেন। ফলে দিন দিন এই মসজিদে দানের পরিমাণ রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, দান থেকে পাওয়া এসব অর্থ শহরের রূপালী ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়। এই টাকার লভ্যাংশ থেকে পাগলা মসজিদ ও এর আওতাধীন মাদরাসার যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করা হয়। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানাসহ নানা সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এই তহবিল থেকে অনুদান দেওয়া হয়ে থাকে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে ৯ কলেজের সবাই ফেল, পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা।

আপডেট সময় ০৬:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
১৩৫

টানা ৬ মাস পর আবারও খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক। এবার মসজিদের ১৩টি সিন্দুক (দানবাক্স) খুলে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। নগদ টাকা ছাড়াও সিন্দুকে মিলেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিবের উপস্থিতিতে লোহার সিন্দুকগুলো খোলা হয়। বর্তমানে রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ মিলে এই টাকা গণনার কাজ করছেন।

টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন পাগলা মসজিদ নূরানী কুরআন হাফিজিয়া মা্রদাসার ১০০ জন শিক্ষার্থী, শহরের আল জামিয়াতুল ইমদাদীয়ার ২০০ জন শিক্ষার্থী এবং রূপালী ব্যাংকের ৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সারাদিন গণনা শেষে আজ সন্ধ্যার পর জানা যাবে এবার মোট কত টাকা জমা পড়েছে।

এর আগে, সর্বশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর এই দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন সিন্দুক থেকে রেকর্ড পৌনে ১২ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

জনশ্রুতি রয়েছে, কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদীর মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা চরে এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের আস্তানা ছিল। ওই সাধকের মৃত্যুর পর সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়, যা পরবর্তীতে ‘পাগলা মসজিদ’ নামে পরিচিতি পায়। এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয় বিশ্বাস থেকেই সাধারণ মানুষ এখানে নিয়মিত নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা দান করে থাকেন। ফলে দিন দিন এই মসজিদে দানের পরিমাণ রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, দান থেকে পাওয়া এসব অর্থ শহরের রূপালী ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়। এই টাকার লভ্যাংশ থেকে পাগলা মসজিদ ও এর আওতাধীন মাদরাসার যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করা হয়। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানাসহ নানা সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এই তহবিল থেকে অনুদান দেওয়া হয়ে থাকে।