ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

ফুলবাড়ীতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে পশু জবাই, মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

৭১

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খড়িবাড়ি বাজারে প্রয়োজনীয় মেডিকেল সনদ ছাড়া পশু জবাই করার দায়ে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (১৭ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর আওতায় এ দণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিলার আক্তার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে খড়িবাড়ি বাজারের মাংস ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আইন অনুযায়ী পশু জবাইয়ের আগে অনুমোদিত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে মেডিকেল সনদ সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযানে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী প্রয়োজনীয় মেডিকেল সনদ ছাড়াই পশু জবাই করে বিক্রির জন্য মাংস প্রস্তুত করছিলেন। বিষয়টি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিলার আক্তার বলেন, “জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে পশু জবাই বা মাংস বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালিত হবে।”

অভিযান চলাকালে উপজেলা পানি সম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার সরকার, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে জনস্বার্থে পরিচালিত এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাঁদের মতে, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে উপজেলার প্রতিটি বাজারে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

 

 

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ভিতরবন্দ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে গণসংযোগে মাহমুদুল হাসান মাহমুদ।

ফুলবাড়ীতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে পশু জবাই, মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

আপডেট সময় ১২:০৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
৭১

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খড়িবাড়ি বাজারে প্রয়োজনীয় মেডিকেল সনদ ছাড়া পশু জবাই করার দায়ে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (১৭ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর আওতায় এ দণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিলার আক্তার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে খড়িবাড়ি বাজারের মাংস ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আইন অনুযায়ী পশু জবাইয়ের আগে অনুমোদিত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে মেডিকেল সনদ সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযানে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী প্রয়োজনীয় মেডিকেল সনদ ছাড়াই পশু জবাই করে বিক্রির জন্য মাংস প্রস্তুত করছিলেন। বিষয়টি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিলার আক্তার বলেন, “জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে পশু জবাই বা মাংস বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালিত হবে।”

অভিযান চলাকালে উপজেলা পানি সম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার সরকার, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে জনস্বার্থে পরিচালিত এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাঁদের মতে, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে উপজেলার প্রতিটি বাজারে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।