আপডেট সময়
০৩:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
২১২
বার পড়া হয়েছে
ফুলবাড়ীতে শয়নকক্ষ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় নিজ শয়নকক্ষ থেকে সুমি আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার (সকাল) উপজেলার ২ নম্বর শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের বানিয়াটারী (তালুক শিমুলবাড়ী) গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বাগেরহাট জেলার মংলা থানার কচুমুনিয়া গ্রামের কুদ্দুসের মেয়ে সুমি আক্তারের সঙ্গে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বানিয়াটারী গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে ফেরদৌস মিয়া ওরফে মান্নানের (২৬) ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় ও পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত ৪-৫ মাস ধরে তারা স্বামীর বাড়িতেই সংসার করে আসছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে খাবার গ্রহণ শেষে দক্ষিণমুখী টিনশেড ঘরে ঘুমাতে যান। বুধবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে কোনো এক সময়ে সুমি আক্তার ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বামী ফেরদৌস মিয়া ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার করলে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মরদেহ নিচে নামান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান নাইম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে।
২৫০
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় নিজ শয়নকক্ষ থেকে সুমি আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার (সকাল) উপজেলার ২ নম্বর শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের বানিয়াটারী (তালুক শিমুলবাড়ী) গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বাগেরহাট জেলার মংলা থানার কচুমুনিয়া গ্রামের কুদ্দুসের মেয়ে সুমি আক্তারের সঙ্গে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বানিয়াটারী গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে ফেরদৌস মিয়া ওরফে মান্নানের (২৬) ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় ও পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত ৪-৫ মাস ধরে তারা স্বামীর বাড়িতেই সংসার করে আসছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে খাবার গ্রহণ শেষে দক্ষিণমুখী টিনশেড ঘরে ঘুমাতে যান। বুধবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে কোনো এক সময়ে সুমি আক্তার ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বামী ফেরদৌস মিয়া ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার করলে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মরদেহ নিচে নামান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান নাইম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে।