গতকাল বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত ও হুমকি প্রদর্শন।
জানা যায়, চিলমারীতে ‘বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’-এর কর্মপরিকল্পনা ও পরিবীক্ষণ কাঠামো প্রণয়ন বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালায় নিমন্ত্রণ না দেয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় কে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুর রহমান। এবং বলেন আপনাকে দেখে নিব। এ ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাহেবকে জানাই তিনি জানান ওনাকে নির্ভয়ে কাজ করতে বলেন।
এটা ছিল UNDP র এনজিও ভিত্তিক কর্মশালা, সরকারী কোন কর্মশালা না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একজন সৎ, কর্মযজ্ঞ ও কৃষক বান্ধব অফিসার।
কর্মশালা শেষে কৃষি কর্মকর্তা তার নিজ অফিসে অবস্থান থাকা অবস্থায় বিকাল ৪টার দিকে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলু , সদস্য সচিব আবু হানিফা ডাকেন, সাথে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য তুহিন মুকুল। তারা একসাথে কৃষি কর্মকর্তার অফিসে ঢুকেই মানহানিকর বক্তব্য ও হুমকি প্রদর্শন করতে থাকে। কেন আমাদের ডাকা হলো না কর্মশালায়। তিনি জানান আমি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাহেবকে ডেকেছিলাম। তখন কৃষি কর্মকর্তা অফিসের সহকর্মী ও প্রান্তিক কৃষকদের সাথে কথা বলছিলেন। উদ্ধ্ত্যপুর্ন দূরব্যবহারে তিনি লজ্জায় লাল হয়ে যান। সহকর্মীদের সামনে হেয় করা, অপমান সহ্য করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি একজন বিসিএস কর্মকর্তা। এভাবে সম্মানিত একজন অফিসারকে নোংরা ভাষায় কথা বলে অপমান করা উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল পদে থেকে দায়িত্বহীনতার পরিচয় বহন করে। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের” আদর্শের মধ্যে বা বিএনপির সাংগঠনিক এর মধ্যে পড়ে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএস কর্মকর্তা জানান, স্যার কে এভাবে অপমান করা ঠিক হয়নি। স্যার লজ্জায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। হতভম্ব হয়ে যান।

বিশেষ প্রতিনিধি 




















