ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

কুড়িগ্রামে তরুণের বিশ্বজয়, চরাঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রা তুলে ধরলেন বিশ্ব দরবারে ।

১৬৯

কুড়িগ্রাম থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক অনন্য সাফল্যের গল্প লিখলেন তরুণ ড্রোন কনটেন্ট ক্রিয়েটর নাজমুল হোসাইন (লাবু)। বিশ্বখ্যাত ড্রোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান DJI Global-এর সঙ্গে কোলাবোরেশনের মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন বিশ্বমঞ্চে।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বিশেষ করে চরাঞ্চলের জীবন, নদী এবং সাধারণ মানুষের বাস্তবতা নিয়ে কাজ করে আসছেন নাজমুল। তার কনটেন্টে ফুটে ওঠে প্রকৃতির নিখুঁত রূপ এবং মাটির মানুষের সহজ-সরল জীবনযাপন।

জানা যায়, সম্প্রতি নাজমুল হোসাইনের ব্যক্তিগত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত একটি ভিডিও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পরবর্তীতে DJI-এর মার্কেটিং টিম তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এই কোলাবোরেশন সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের কোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটরের জন্য এটি একটি বিরল এবং গর্বের অর্জন।

কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার এই তরুণ নির্মাতা তার কাজের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সৌন্দর্য বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছেন। সম্প্রতি তিনি আরেক ড্রোন কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোঃ সুমন শেখ (সুমন দ্যা কাইট)-এর সঙ্গে কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি ভিডিও ধারণ করেন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ও বাস্তব মুহূর্তের মিশেলে তৈরি সেই কনটেন্টই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তাদের জায়গা করে দেয়।

নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে নাজমুল হোসাইন বলেন,এটা সত্যিই আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। আমি কখনোই টাকার জন্য কাজ করিনি। প্রকৃতি আমাকে টানে, প্রকৃতির মধ্যে হারিয়ে যেতে পারলেই আমি শান্তি পাই। সেই ভালো লাগা থেকেই মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় ধরার চেষ্টা করি। অনেকেই ভাবে হয়তো এই কাজ থেকে অনেক আয় করি, কিন্তু বাস্তবে কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আমার তেমন কোনো আয় নেই।

সহযোগী নির্মাতা মোঃ সুমন শেখ বলেন,আমাদের জন্য এটা অনেক বড় একটি অভিজ্ঞতা। আমরা সবসময় চেষ্টা করেছি দেশের প্রকৃতি আর মানুষের বাস্তব জীবনকে তুলে ধরতে। এই স্বীকৃতি আমাদের আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।

এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং কুড়িগ্রামসহ পুরো বাংলাদেশের তরুণদের জন্য এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত। এটি প্রমাণ করে, নিষ্ঠা, ভালোবাসা এবং সৃজনশীলতা থাকলে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও বিশ্বমঞ্চে পৌঁছানো সম্ভব।

  • বর্তমানে নাজমুল হোসাইন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে কাজ করছেন এবং তার ক্যামেরায় নতুনভাবে তুলে ধরছেন বাংলাদেশের প্রকৃতি ও জীবনচিত্র। তার এই সাফল্য কুড়িগ্রামবাসীর জন্য গর্বের এবং দেশের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।
ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উলিপুরের দুর্গাপুর বাজারে মৎস্য আইন বাস্তবায়ন অভিযান, অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ ও ধ্বংস।

কুড়িগ্রামে তরুণের বিশ্বজয়, চরাঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রা তুলে ধরলেন বিশ্ব দরবারে ।

আপডেট সময় ০৬:৪১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
১৬৯

কুড়িগ্রাম থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক অনন্য সাফল্যের গল্প লিখলেন তরুণ ড্রোন কনটেন্ট ক্রিয়েটর নাজমুল হোসাইন (লাবু)। বিশ্বখ্যাত ড্রোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান DJI Global-এর সঙ্গে কোলাবোরেশনের মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন বিশ্বমঞ্চে।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বিশেষ করে চরাঞ্চলের জীবন, নদী এবং সাধারণ মানুষের বাস্তবতা নিয়ে কাজ করে আসছেন নাজমুল। তার কনটেন্টে ফুটে ওঠে প্রকৃতির নিখুঁত রূপ এবং মাটির মানুষের সহজ-সরল জীবনযাপন।

জানা যায়, সম্প্রতি নাজমুল হোসাইনের ব্যক্তিগত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত একটি ভিডিও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পরবর্তীতে DJI-এর মার্কেটিং টিম তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এই কোলাবোরেশন সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের কোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটরের জন্য এটি একটি বিরল এবং গর্বের অর্জন।

কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার এই তরুণ নির্মাতা তার কাজের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সৌন্দর্য বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছেন। সম্প্রতি তিনি আরেক ড্রোন কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোঃ সুমন শেখ (সুমন দ্যা কাইট)-এর সঙ্গে কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি ভিডিও ধারণ করেন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ও বাস্তব মুহূর্তের মিশেলে তৈরি সেই কনটেন্টই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তাদের জায়গা করে দেয়।

নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে নাজমুল হোসাইন বলেন,এটা সত্যিই আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। আমি কখনোই টাকার জন্য কাজ করিনি। প্রকৃতি আমাকে টানে, প্রকৃতির মধ্যে হারিয়ে যেতে পারলেই আমি শান্তি পাই। সেই ভালো লাগা থেকেই মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় ধরার চেষ্টা করি। অনেকেই ভাবে হয়তো এই কাজ থেকে অনেক আয় করি, কিন্তু বাস্তবে কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আমার তেমন কোনো আয় নেই।

সহযোগী নির্মাতা মোঃ সুমন শেখ বলেন,আমাদের জন্য এটা অনেক বড় একটি অভিজ্ঞতা। আমরা সবসময় চেষ্টা করেছি দেশের প্রকৃতি আর মানুষের বাস্তব জীবনকে তুলে ধরতে। এই স্বীকৃতি আমাদের আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।

এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং কুড়িগ্রামসহ পুরো বাংলাদেশের তরুণদের জন্য এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত। এটি প্রমাণ করে, নিষ্ঠা, ভালোবাসা এবং সৃজনশীলতা থাকলে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও বিশ্বমঞ্চে পৌঁছানো সম্ভব।

  • বর্তমানে নাজমুল হোসাইন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে কাজ করছেন এবং তার ক্যামেরায় নতুনভাবে তুলে ধরছেন বাংলাদেশের প্রকৃতি ও জীবনচিত্র। তার এই সাফল্য কুড়িগ্রামবাসীর জন্য গর্বের এবং দেশের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।