ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকার সংবাদ এ দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ চলছে......... যোগাযোগঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০ হোয়াটঅ্যাপ ।
নোটিশ :

যেকোনো বিজ্ঞপন দিতে যোগাযোগ করুন, মোঃ লিটন হাসান মিয়া বার্তা সম্পাদক, মোবাইলঃ ০১৪০৫৫৪৯৩২০।

উলিপুর দলদলিয়া ইউনিয়ন সহকারী তহসীলদার আহসান হাবিবের কার্যক্রমে এলাকাবাসীর সন্তোষ: একটি সরেজমিন প্রতি

৪৪

​কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসীলদার) মো. আহসান হাবিবের আন্তরিক ও দুর্নীতিমুক্ত কার্যক্রমে এলাকার সাধারণ মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি ও দালাল চক্রের হয়রানির শিকার হওয়ার চেনা চিত্র ছিল, তা বর্তমানে অনেকটাই বদলে গেছে।

​সরেজমিন চিত্র ও এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া

​সম্প্রতি দলদলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেবাগ্রহীতাদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার চিরচেনা দুর্ভোগের চিত্র নেই। নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হয়ে তহসীলদার আহসান হাবিব অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে প্রতিটি সেবাগ্রহীতার কথা শুনছেন এবং নিয়মমাফিক সেবা প্রদান করছেন।

​এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, অতীতে নামজারি (মিউটেশন), খাজনা প্রদান ও জমির অন্যান্য কাগজপত্রের জন্য সাধারণ মানুষকে নানা জটিলতা ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের মুখোমুখি হতে হতো। কিন্তু বর্তমান তহসীলদার যোগদানের পর থেকে সেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসায় সেই ভোগান্তি কমে এসেছে।

​এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি মো. মজিবুর রহমান বলেন,

​“আগে তহসীল অফিসে আসা মানেই একটা হয়রানির ভয় ছিল। কিন্তু বর্তমান তহসীলদার সাহেব আসার পর থেকে কোনো প্রকার মাধ্যম বা দালালের ঝামেলা ছাড়াই আমরা নির্দিষ্ট ফি দিয়ে সহজে নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করতে পারছি। উনার ব্যবহার ও কর্মতৎপরতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

​স্থানীয় যুবক রফিকুল ইসলাম জানান, ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা ও পর্চা উত্তোলনে এখন আর দিনের পর দিন ঘুরতে হয় না। যথাসময়ে সেবা পাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভূমি অফিসের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে।

​সেবা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মো. আহসান হাবিব দলদলিয়া ইউনিয়নে যোগদানের পর থেকেই ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। সরকারের নির্ধারণ করা ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এছাড়া ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো বিরোধ বা জটিলতা আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করেন তিনি।

​এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব বলেন,

​“সরকারি দায়িত্ব পালন করা আমার কর্তব্য। জনসেবা নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানিমুক্ত ভূমি সেবা প্রদানে আমি সবসময় সচেষ্ট আছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতার কারণেই এই ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে

​দলদলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তহসীলদার আহসান হাবিবের সততা, সময়ানুবর্তিতা ও জনবান্ধব কার্যক্রম কেবল এলাকার ভূমি সেবার মানই বাড়ায়নি, বরং সরকারি অফিসগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও সুদৃঢ় করেছে। এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, তার এই স্বচ্ছ ও গতিশীল কার্যধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অন্যান্য অফিসগুলোর জন্য এটি একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় প্রায় ১০০ বছরের পুরনো একটি পারিবারিক চলাচলের রাস্তা বাঁশের খুটি ও টিন দিয়ে বেড়া দিয়ে বন্ধ করার অভিযোগ উঠেছে।

উলিপুর দলদলিয়া ইউনিয়ন সহকারী তহসীলদার আহসান হাবিবের কার্যক্রমে এলাকাবাসীর সন্তোষ: একটি সরেজমিন প্রতি

আপডেট সময় ০১:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
৪৪

​কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসীলদার) মো. আহসান হাবিবের আন্তরিক ও দুর্নীতিমুক্ত কার্যক্রমে এলাকার সাধারণ মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি ও দালাল চক্রের হয়রানির শিকার হওয়ার চেনা চিত্র ছিল, তা বর্তমানে অনেকটাই বদলে গেছে।

​সরেজমিন চিত্র ও এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া

​সম্প্রতি দলদলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেবাগ্রহীতাদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার চিরচেনা দুর্ভোগের চিত্র নেই। নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হয়ে তহসীলদার আহসান হাবিব অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে প্রতিটি সেবাগ্রহীতার কথা শুনছেন এবং নিয়মমাফিক সেবা প্রদান করছেন।

​এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, অতীতে নামজারি (মিউটেশন), খাজনা প্রদান ও জমির অন্যান্য কাগজপত্রের জন্য সাধারণ মানুষকে নানা জটিলতা ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের মুখোমুখি হতে হতো। কিন্তু বর্তমান তহসীলদার যোগদানের পর থেকে সেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসায় সেই ভোগান্তি কমে এসেছে।

​এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি মো. মজিবুর রহমান বলেন,

​“আগে তহসীল অফিসে আসা মানেই একটা হয়রানির ভয় ছিল। কিন্তু বর্তমান তহসীলদার সাহেব আসার পর থেকে কোনো প্রকার মাধ্যম বা দালালের ঝামেলা ছাড়াই আমরা নির্দিষ্ট ফি দিয়ে সহজে নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করতে পারছি। উনার ব্যবহার ও কর্মতৎপরতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

​স্থানীয় যুবক রফিকুল ইসলাম জানান, ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা ও পর্চা উত্তোলনে এখন আর দিনের পর দিন ঘুরতে হয় না। যথাসময়ে সেবা পাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভূমি অফিসের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে।

​সেবা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মো. আহসান হাবিব দলদলিয়া ইউনিয়নে যোগদানের পর থেকেই ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। সরকারের নির্ধারণ করা ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এছাড়া ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো বিরোধ বা জটিলতা আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করেন তিনি।

​এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব বলেন,

​“সরকারি দায়িত্ব পালন করা আমার কর্তব্য। জনসেবা নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানিমুক্ত ভূমি সেবা প্রদানে আমি সবসময় সচেষ্ট আছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতার কারণেই এই ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে

​দলদলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তহসীলদার আহসান হাবিবের সততা, সময়ানুবর্তিতা ও জনবান্ধব কার্যক্রম কেবল এলাকার ভূমি সেবার মানই বাড়ায়নি, বরং সরকারি অফিসগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও সুদৃঢ় করেছে। এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, তার এই স্বচ্ছ ও গতিশীল কার্যধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অন্যান্য অফিসগুলোর জন্য এটি একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।