সাভারে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার একদিন পরই রনি ইসলাম (ছাত্রদল নেতা) নিজের স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। ঘটনার পর তিনি বাসার বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
গত ৮ জুন সোমবার সকালে সাভার পৌর এলাকার ছায়াবীথি মহল্লায় ডা. এবিএম শহিদুজ্জামানের বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূ রিয়া মনি (২১)-এর মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়ে রনি ইসলাম ও তার স্ত্রী রিয়া মনি বসবাস করছিলেন। রনি ইসলাম পেশায় টাইলস কন্ট্রাক্টর। গত ৭ জুন ঘোষিত সাভার পৌর ছাত্রদল কমিটিতে তিনি সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ পান।
অভিযোগ অনুযায়ী, পদ পাওয়ার পরদিন সকালে রনি তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ ঘরের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি নিজেই পরিবারের সদস্যদের ফোন করে ঘটনাটি জানান। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা ১১টার দিকে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত রনি ইসলাম এখনও পলাতক রয়েছে।
সাভার মডেল থানা জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা হবে। একইসাথে এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সাভার প্রতিনিধি 




















