কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্তহীনতায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। প্রতিটি স্থানে নেতৃত্ব দেয়ার মতো যোগ্য প্রার্থী দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নাগেশ্বরী উপজেলা শাখায় গোলাম রসুল রাজাকে আহ্বায়ক ও মোখলেছুর রহমান কে সদস্য সচিব করে গত ০৮/০৫/২০২৫ইং তারিখে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট্য উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিকে জেলা কমিটি অনুমোদন দেয়। পুর্নাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি হওয়ার পর ১৪টি ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পরে ১৪ ইউনিয়নের মর্ধে ৭টি ইউনিয়নে আহ্বায়ক কমিটি প্রদান করা হলেও রহস্যজনকভাবে বাকি ৭টি ইউনিয়নে কমিটি দীর্ঘ দিন ধরে দেয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে কেদার ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জানান, “ইউনিয়ন কমিটি দীর্ঘদিন আগে ভাঙ্গলেও নতুন ইউনিয়ন কমিটি না দেওয়ায় আমরা সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছি না। অপরদিকে, জামায়াত বাড়ি বাড়ি গিয়ে সদস্য সংগ্রহ করছে।” রামখানা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শুকুর আলী বিএসসি বলেন যে, “দীর্ঘদিন আগে ইউনিয়ন কমিটি ভেঙ্গে দিলেও নতুন করে আহ্বায়ক কমিটি না দেওয়ায় দলের কার্যক্রম একেবারে স্থিমিত হয়ে পরেছে। ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে এলোমেলো অবস্থা বিরাজ করছে।” উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও নেওয়াশী ইউনিয়নের সাবেক আহ্বায়ক আমিন সিদ্দিকী জানান, “দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের কমিটি না দেওয়ায় দলীয় সংগঠনিক কাঠামো দূর্বল হয়ে পড়ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক ও ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শফিউল আলম শফি বলেন, “দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপযুক্ত এবং নেতৃত্ব দেয়ার মতো যোগ্য প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে, তবে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সাথে পরামর্শ করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বাকি ৭টি ইউনিয়নে কমিটি প্রদান করা হবে। আশা করছি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল অধিবেশন করার সিন্ধান্ত আছে।”