জনতার দোড়গোড়ায় পুলিশী সেবা পৌঁছে দেবার জন্য দিন রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ চুরি, ছিনতাই, মাদক, ও জুয়াসহ পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমান আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। প্রতিটি ঘটনা উৎঘাটন ও উদ্ধারে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছে। গত ডিসেম্বর/২৫ থেকে জানুয়ারি/২৬ এই দুই মাসে কুড়িগ্রাম সদর থানা এলাকার কোট চত্তর, নিউরন ডায়গনস্টিক সেন্টার, সদর হাসপাতালের সামনে এবং জিয়া বাজারের সামনে থেকে ০৪ টি মোটরসাইকেল চুরি হয়।এরই ধারাবাহিকতায় গত ইং-১৭/০১/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ০৭.৩৫ থেকে ০৭.৫৫ ঘটিকার সময় কুড়িগ্রাম থানাধীন হাসপাতাল পাড়া এলাকায় অবস্থিত নিউরোন ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগোনিস্টিক সেন্টার এর ভিতর হইতে একটি নীল রং এর টিভিএস এপাচি ১৬০ সিসি মোটর সইকেল চুরি হয়। এই সংক্রান্তে মোটর সাইকেলের মালিক মোঃ নাজমুল ইসলাম (৩৫), পিতা-মৃত আকবার আলী, সাং-বাঞ্ছারাম (গাঞ্জাইবাড়ী), থানা ও জেলা-কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-২৭, তারিখ-২৪/০২/২০২৬ খ্রিঃ জিআর নং-৫৩/২৬ (কুড়িগ্রাম), ধারা-৩৮০ পেনাল কোড।
পরবর্তীতে কুড়িগ্রাম জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব খন্দকার ফজলে রাব্বি, পিপিএম মহোদেয় সার্বিক দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুড়িগাম সদর সার্কেল জনাব মোঃ মাসুদ রানা এর তত্বাবধানে কুড়িগ্রাম থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ নওসাদ আলী ও তার টিম সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও অন্যন্যা গোয়েন্দা তথ্য বিচার বিশ্লেষন করে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোটর সাইকেল চোরদের সনাক্ত করে গাজীপুর কাশিমপুর থানা এলাকা হতে শাহজামাল ওরফে বাবু ও নুর ইসলামকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করেন এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে লালমনিরহাট সদর থানার বড়বাড়ী হতে মিঠুল পাশা, কুলাঘাট হইতে আনিছুর রহমান, উলিপুর থানা এলাকা হতে খাইরুল ইসলাম বাবু, নাগেশ্বরী থানা হতে রফিকুল মাষ্টার,বারেক ও আজিজুল হক ফুলবাড়ী থানা হতে খাইরুল আলমকে আটক করেন। তাদের দেওয়া তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষন করে তাদের নিকট হইতে সর্বমোট ১০ (দশ) টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ০২ (দুই) টি মোটর সাইকেলের মালিকানা সঠিক পাওয়ায় পর মোটর সাইকেলের মালিক পৃথক দুইটি