কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নের জোরগাছ বাজার থেকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পাচারের সময় মালেক মোড়ে ১৬ বস্তা ইউরিয়া সার আটক।

জানা গেছে গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে এগারোটায় অবৈধভাবে সার চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়ন থেকে সুন্দরগঞ্জ অটোরিকশা যোগে ১৬ বস্তা সার পাচারের সময় মালেক মোড় স্থানে উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক লিপ্টন আটক করেন । তবে ক্রেতা সার ক্রয়ের কোন ডিলারের ম্যামো দেখাতে পারেনি। ক্রেতা ও অটোরিকশা নাম জানা যায়নি , তারা পালিয়ে যায়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক লুৎফুল হায়দার লিপ্টন এর হেফাজতে রাখা হয়। ৫ সেপ্টেম্বর সকাল এগারোটায় আটককৃত সারের স্থানে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, কৃষি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অত্র এলাকার সারের ডিলার। সকলের উপস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আটক কৃত সার জব্দ করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান এর নির্দেশে ১৫ বস্তা সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ এবং ১ বস্তা সার আলামত হিসেবে উপজেলা কৃষি অফিসে রাখা হয় । বিক্রির টাকা যাবে সরকারি কোষাগারে। সার পাচারের অভিযোগে অজ্ঞাত হিসেবে নিয়মিত মামলা হবে বলে জানান তিনি এবং কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে সার ডিলারদের অনিয়মের তদন্তের নির্দেশ দেন।

কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি এবং এমওপি হলো বাংলাদেশের কৃষিতে সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রধান চারটি রাসায়নিক সার, যা গাছের বৃদ্ধিতে ও খাদ্য উৎপাদনে ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। এই লক্ষ্যে উপজেলায় গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ১৭ জন ডিলারের মধ্যে ৩৬০ মেট্রিক টন সার ( বরাদ্দ) দেয়া হয়েছে।

সার ডিলারেরা জানান, সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চিলমারী মডেল থানার ডিউটি অফিসার জানান মামলাটি প্রক্রিয়াধীন।