ঈদ উৎসব পালনের জন্য অসহায়, এতিম ও দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের অর্থ উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরনের কথা থাকলেও অদ্য ২৪/০৫/২০২৬ ইং তারিখ বুধবার পর্যন্ত মাত্র ১২ থেকে ১৫ জনকে চেক্ প্রদান করা হয়েছে । সরকারী ছুটি শুরু হওয়ায় অবশিষ্টদের মাঝে চেক্ বিতরন না করায় অর্থ প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে লক্ষভূক্তরা ঈদ উৎসব পালনে হতাশায় রয়েছেন। কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত ১০ লক্ষ টাকা বিতরনে জন্য দেওয়া হয়েছে। ভগ্নাংশ অনুযায়ী চিলমারী উপজেলার জন্য তিন লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
চিলমারী উপজেলা প্রশাসন সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, পবিত্র ঈদ উল আজহা উদযাপনে চিলমারী উপজেলায় মোট ১৫০ জন দুঃস্থ, অসহায় ও এতিমদের মাঝে জনপ্রতি দুই হাজার টাকা প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করা হয়। গরীব, অসহায় ও এতিমদের নির্বাচন করে এমপি’র দেওয়া তালিকা অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্ধারীত অর্থের চেকে্ স্বাক্ষর করে ও প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করেন। কিন্তু অধিকাংশরাই বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ায় উপস্থিত হতে পােরননি। তাই তাদের মাঝে চেক্ প্রদান করাও সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে । অপর দিকে ব্যাংক ঈদের ছুটি উপলক্ষ্যে বন্ধ ঘোষনা করায় প্রধান মন্ত্রীর দেওয়া অর্থ উত্তোলন সম্ভব না হওয়ায় এই দুঃস্থ, অসহায় ও এতিমতদের ঈদ পালনে অনিশ্চয়তা দেখা গেছে। বিএনপির,চিলমারী উপজেলা শাখার আহব্বায়ক আব্দুল বারী সরকার বলেন, এ ব্যাপারে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জানতে চাইরে তিনি আমাকে বলেন যে, জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা বরাদ্দ যা এমপি’র দেওয়া এবং এ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর তহবীলের কিনা সে বিষয়ে তিনি বলতে পারেননা। তিনি আরো বলেন শেষ বেলায় জনপ্রতি ২ হাজর টাকার চেক্ স্বাক্ষর করেন। তবে ব্যাংকের সময অতিবাহিত হওয়ায় একজনও এই টাকা উত্তোলন করতে পারেননি।
আনোয়ারুল ইসলাম
চিলমারী,কুড়িগ্রাম।
তাং ২৪/৯৫/২০২৬
০১৭১৬০২৯৯৯৫