ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙনের হাত থেকে চিলমারী উপজেলাকে রক্ষার দাবিতে শনিবার নদেরতীরে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে চিলমারী উপজেলার বিশালপাড়া, থানাহাট, রমনা ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত এলাকার সহস্রাধিক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এ কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করেন। সমাবেশ থেকে দ্রুত স্থায়ী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে ক্ষতিগ্রস্থ বাধ রক্ষা করে চিলমারী উপজেলাকে রক্ষা সহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং চরাঞ্চলের টেকসই সমাধানের দাবি জানানো হয়। চিলমারী উপজেলা শাখার বিএনপি’র আহব্বায়ক আব্দুল বারী সরকার জানান, রাণীগঞ্জ ইউনিয়নে কাচকোলের সড়কটারী থেকে বাধ রাস্তায় যে ডানতীর রক্ষার বাধ দেওয়া হয়েছে তা দিয়ে আদৌও কোন নদী ভাঙ্গনের উপশম হবেনা। কারন হিসেবে জানা যায়, বাধের স্লোপে নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের পিচিং এর ৩০ ফুট নীচে নদেরপাড়, তার নীচে পানি ও তারও নীচে তলদেশ! সুতরাং স্রোত ঠেকাতে না পেরে নির্বিঘ্নে ভাঙ্গনের ছোবলে ধসে যাচ্ছে বাধের অংশ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু। বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার, জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ খাজা শরীফ উদ্দিন আহমেদ রিন্টু, চিলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আবু হানিফা, সদস্যসচিব সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাব কুড়িগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী ঝিনুক, চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম কাজী, মহিলা নেত্রী শাহনাজ সুলতানা এবং নদী ভাঙনের শিকার আছির উদ্দিন ও শাহজাহান আলীসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।
আবুওবায়দুল হক খাজা চিলমারী কুড়িগ্রাম