কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার করাই বরশাল গ্রামে নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশন। কয়েকদিন আগে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে নদীগর্ভে ঘরবাড়ি ও বসতভিটা হারানো পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে। সেই তালিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বর্তমানে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা খাদ্যসামগ্রী প্যাকেটজাত করার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিটি পরিবারের জন্য নির্ধারিত খাদ্য প্যাকেটে রাখা হচ্ছে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পিয়াজ, আধা কেজি লবণ, আধা কেজি ভোজ্য তেল এবং ১ কেজি ময়দা।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব করতেই এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত পরিবারের হাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।
ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশনের কো-অর্ডিনেটর মো. মেহেদী হাসান দুর্জয় বলেন, “চিলমারীর করাই বরশাল এলাকায় নদীভাঙনে বহু পরিবার তাদের ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও সহায়-সম্পদ হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে জীবনযাপন করছে। আমরা সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করেছি। সেই তালিকার ভিত্তিতে তাদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হবে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন মানবিক সংগঠন এগিয়ে এলে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ইউনিভার্সাল এমিটি ফাউন্ডেশন সবসময় অসহায় ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”